সারা দেশে চলছে ঈদ উদযাপন। আর এই ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দিতে প্রতি বছরেই দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পায় ঈদ কেন্দ্রীক নতুন চলচ্চিত্র। এই ঈদে সারা দেশে মুক্তি পেয়েছে মোট পাঁচটি চলচ্চিত্র। এরমধ্যে মুক্তি পেয়েছে নতুন ধারার একটি চলচ্চিত্র ‘কমলা রকেট’।
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত নির্মাতা নূর ইমরান মিঠুর পরিচালনায় ঈদের দিন থেকে রাজধানীর তিনটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘কমলা রকেট’। তৌকীর আহমেদ, মোশাররফ করিম এবং জয়রাজের মতো তুখোড় অভিনেতা আছেন গল্প প্রধান এই চলচ্চিত্রে। ছবিটি বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্স, যমুনা ব্লকবাস্টার এবং কাকরাইলে অবস্থিত রাজিয়া সিনেমা হল(রাজমনি)-এ দেখানো প্রদর্শীত হবে।
ঈদের দিনে বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সে একটি মাত্র শো চলবে বিকাল সাড়ে চারটায়। এরপর প্রতিদিন সকাল ১১টা ১০ মিনিটে একটি শো এবং বিকাল সাড়ে ৪টায় একটি শো। যমুনা ব্লকবাস্টার ঈদের দিনসহ প্রতিদিন দুটি করে ‘কমলা রকেট’-এর শো করবে। একটি বিকাল সাড়ে তিনটায় এবং অন্যটি রাত পৌনে ৯টায়। এছাড়া কাকরাইলের রাজিয়া সিনেমা হলে দিনে চারটি শো চলবে। ছবি প্রদর্শনীর সময় সূচি প্রতিদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, বিকাল ৩টা ৩০ মিনিট, সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট এবং রাত ৯টা।
কিন্তু এতো অল্প প্রেক্ষাগৃহে কেনো? এমন প্রশ্নে নির্মাতা নূর ইমরান মিঠু বলেন, ঈদে এমনিতেই মাসালা নির্ভর ছবিগুলোর কদর বেশী থাকে। ফর্মূলা ছবিই দেখতে চায় মফস্বলের মানুষ। সব দিক বিবেচনা করে প্রথম সপ্তাহে রাজধানীর তিনটি প্রেক্ষাগৃহে আমরা মুক্তি চূড়ান্ত করেছি। আশা করছি দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ‘কমলা রকেট’ ঢাকার বাইরে যাত্রা করবে।
‘কমলা রকেট’-এর পরিবেশনায় আছেন অভি কথাচিত্র। এতো কম হলে সিনেমাটি মুক্তির বিষয়ে নির্মাতার মতো পরিবেশকেরও একই অভিমত।
কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামানের ‘মৌলিক’ ও ‘সাইপ্রাস’ নামের দুটি গল্প অবলম্বনে ‘কমলা রকেট’-এর চিত্রনাট্য করেছেন শাহাদুজ্জামান ও মিঠু। ছবির গল্পে কমলা রকেট মূলত একটি স্টিমারের নাম। এই স্টিমারটিই পুরো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা ও বর্তমানের তুখোড় নির্মাতা তৌকীর আহমেদ। ছবিতে দালাল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন জয়রাজ, সামিয়া সাঈদ, সেওতি, ডমিনিক গোমেজ, বাপ্পা শান্তনু, সুজাত শিমুল, শহীদুল্লাহ সবুজ,আবু রায়হান রাসেল।







