১০ লাখ পিস ইয়াবা ‘বিক্রির সাথে জড়িত’ কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম ইকবাল হোসেনসহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
অন্য তিন পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, কক্সবাজারের সে সময়ের ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম (বর্তমানে তিনি কক্সবাজার পুলিশ ফারির ইনচার্জ), ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন (বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেন-পিবিআই’র উপ পরিদর্শক) ও টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।
স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পুলিশের চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফরহাদ উদ্দীন আহমেদ ভুইয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একরামুল হকজ টুটুল।
এর আগে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও খবর যুক্ত করে গত ২৯ জুলাই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ।
ওই রিটে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ১০ লাখ ইয়াবা বিক্রির সথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।






