অন্তরালে থেকে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের দিনের পর দিন ভরসা জুগিয়ে গেছেন। হাঁটু কিংবা পিঠে সমস্যা হলেই মাশরাফী, তামিমরা ছুটে গেছেন তার কাছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত শল্যবিদ ডেভিড ইয়াং। মাশরাফীর কাছে যিনি দেশের ক্রিকেটের ‘অদৃশ্য বন্ধু’।
বাংলাদেশ অর্থোপেডিকস সোসাইটির আমন্ত্রণে ইয়াং ঢাকায় এসেছেন। মঙ্গলবার চলে আসেন মিরপুরে নিজের রোগীদের সঙ্গে দেখা করতে।
একটা সময় তার নিয়মিত রোগী ছিলেন মাশরাফী। ২০১১ সালের পর ইয়াংয়ের ছুরির নিচে যেতে হয়নি। বড় ধরণের চোট ছাড়াই খেলছেন সাত বছর। মাশরাফী মনে করেন ক্যারিয়ারে ‘দ্বিতীয় জীবন’ পাওয়ার উছিলা ছিলেন এই ইয়াং।

‘আমার প্রায় সাতটি অস্ত্রোপচার তার হাত দিয়ে হয়েছে। এটা বলতে পারেন যে আমি এখনও খেলছি উপরে আল্লাহ আছেন, যতটুকু জানি উছিলা হিসেবে তিনই (ইয়াং) আছেন। আমার সব কিছুই করেছেন।’
মাশরাফী, তামিম, মোস্তাফিজ, শাহাদাত সবশেষ শহীদ-সবার অস্ত্রোপচার করেছেন ইয়াং। অস্ত্রোপচার পরবর্তী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার প্রেসক্রিপশনেও অগ্রগণ্য এই শল্যচিকিৎসা।
মাশরাফী বলেন, ‘এখন হাঁটুর বিষয়ে অন্য আর কারো কাছে গেলে তেমন আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায় না। শুধু আমি না; আমাদের অধিকাংশ প্লেয়ার যাদের হাঁটু ও পিঠে অস্ত্রোপচার হয়েছে তা তিনিই করেছেন। আমি বলতে পারি বাংলাদেশ ক্রিকেটের অদৃশ্য একজন বন্ধু তিনি।’
মাশরাফী জানান প্রতিটি অস্ত্রোপচার অনেক জটিল ছিল, ‘সবশেষে ২০১১ সালের অপারেশনের পর আর কোনো সমস্যা হয়নি। এটা সত্যি তিনি পেশাদার চিকিৎসক কিন্তু মন থেকেই আমাদের সার্ভিসটা দিয়েছেন। এটা অসাধারণ।’







