পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন করেনি বা দেশটিকে স্বীকৃতি দেয়নি’।
বাংলাদেশের নতুন পাসপোর্টে ‘ইসরাইল ছাড়া বিশ্বের সব দেশের ক্ষেত্রে বৈধ’ বাক্যটি না থাকার প্রেক্ষিতে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেইনি। দেশটির প্রতি আমাদের অবস্থানেরও কোন পরিবর্তন হয়নি।
মোমেন বলেন, ‘ইসরাইল সম্পর্কিত ওই শব্দগুলো পাসপোর্টে না থাকার অর্থ এই নয় যে, দেশটির প্রতি আমাদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটিয়েছি। আমরা এখনো আমাদের আগের অবস্থানেই আছি (ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেইনি)।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক মান বজায় রাখতেই নতুন পাসপোর্টে এই পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বের কোন দেশের পাসপোর্টেই এ ধরনের শব্দ নেই।
তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন পাসপোর্ট বই ইস্যু করার সময় প্রায় ছয় মাস আগেই বিশ্বের অনেক দেশের পাসপোর্ট পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
মোমেন আরো বলেন, জাতীয় পাসপোর্ট একটি দেশের নাগরিকের পরিচয় বহন করে। ওই দেশের পররাষ্ট্র নীতির সাথে পাসপোর্টের কোন সম্পর্ক নেই।
বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টে এক সময় লেখা থাকত- ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সসেপ্ট ইসরাইল, তাইওয়ান অ্যান্ড দ্য রিপাবলিক অব সাউথ আফ্রিকা’ কথাটি। পরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও তাইওয়ানের নামটি ওই নিষেধাজ্ঞার তালিকা থেকে বাদ গেলেও ইসরাইল থেকে যায়। কয়েক বছর আগে হাতে লেখা পাসপোর্ট থেকে যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) চালুর পরও আগের মতো প্রথম পৃষ্ঠায়ই লেখাটি ছিল। বর্তমানে ই-পাসপোর্টে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে লেখা হচ্ছে শুধু- ‘দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড’।








