দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের নয়া হিটলার’ বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান।
বিবিসি জানায়, নিউইয়র্ক টাইমসকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে এখন পর্যন্ত সৌদি যুবরাজের বক্তব্যের কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান।
যুবরাজ সালমান বলেন: আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নেতৃত্বাধীন ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের’ কথিত আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে হবে। আমরা ইউরোপের কাছ থেকে শিখেছি, কেবল ‘প্রশমনে’ কাজ হবে না। ইউরোপে হিটলারের হাতে যেমনটা হয়েছে, এই নব্য হিটলারের হাতে তেমন কিছু ঘটুক তা আমরা চাই না।
সুন্নি অধ্যুষিত সৌদি আরব ও শিয়া অধ্যুষিত ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছে। যুবরাজ সালমানের এই বক্তব্যে সেই বিরোধ আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সৌদি আরব অভিযোগ করে আসছে ইরান ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সহযোগিতা করছে। সৌদি জোট ২০১৫ সাল থেকে সেখানে বিদ্রোহী হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। তবে ইরান এবং হুতি এই অভিযোগ অস্বীকার করছে।
সৌদি আরব দাবি করে আসছে, ইয়েমেন থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র তেহরানের সরবরাহকৃত। আর ইরানের দাবি, সম্প্রতি লেবাননের প্রধানমন্ত্রী সাদ আল-হারিরির রিয়াদ থেকে সম্প্রচারিত ভাষণে পদত্যাগ ঘোষণায় রিয়াদের ইন্ধনে হয়েছে। উভয়পক্ষই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এজন্য পরস্পরের বিরুদ্ধে তীর্যক মন্তব্য করেছে।
সৌদি আরবের আরও অভিযোগ, ইরাক ও সিরিয়ায় ইরান তাদের প্রভাব বৃদ্ধি করছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করে ইরান বলছে, সৌদি আরব ইরাকে আইএস’র বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রক্সি দিচ্ছে এবং সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদকে সহযোগিতা করছে।
এছাড়াও উভয় দেশ লেবাননকে অস্থিতিশীল করার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে।








