ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি চলমান ইতালি সফরকালে সেদেশের কিছু নগ্ন ভাস্কর্য ঢেকে দেওয়া হয়েছে।
ইতালির একটি মিউজিয়ামে বাণিজ্য চুক্তির পর ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং ইটালির প্রধানমন্ত্রী নিজেদের মাঝে আলোচনা করেন। সেই মিউজিয়ামে কিছু নগ্ন ভাস্কর্য রাখা আছে।
এসব ভাস্কর্যগুলো দেখে ইরানের প্রেসিডেন্ট বিব্রত হতে পারেন, এমন আশঙ্কায় সেগুলো ঢেকে দেওয়া হয়।
অফিসিয়াল নৈশভোজের সময় সেখানে অ্যালকোহলও রাখবে না ইটালির সরকার। কারণ ইসলামী রাষ্ট্র ইরানে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী অ্যালকোহল পান নিষিদ্ধ।
ইরানের প্রেসিডেন্টের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান দেখানোর জন্য ইতালির সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও ফ্রান্স সেগুলো অনুকরণ করবে না। বর্তমানে ইউরোপ সফরে থাকা ইরানের প্রেসিডেন্টের পরবর্তী গন্তব্য ফ্রান্স।
অবরোধ উঠে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে রুহানি এখন ইউরোপ সফর করছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ব্যবসায়ীক সম্পর্ক বাড়নো।
ইতালির ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে রুহানি বলেছেন, ইরান হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে নিরাপদ এবং স্থিতিশীল দেশ।
তিনি বলেন, ‘উগ্রপন্থা মোকাবিলার জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে একমাত্র উপায়। বেকারত্ব সন্ত্রাসবাদের জন্ম দেয়।’
ইতালি সফরকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট পোপ ফ্রান্সিসের সাথেও দেখা করেন। সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর সাথে কাজ করার জন্য ইরানের প্রতি আহবান জানান পোপ ফ্রান্সিস।







