ইরাকের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সৈন্য নিহত হয়নি বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেছেন: এই হামলার পর ইরান ব্যাকফুটে চলে গেছে, যা সমগ্র বিশ্বের জন্য জন্য একটি ভালো খবর।
ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি হামলার পর বাংলাদেশ সময় বুধবার রাতে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
এসময় ট্রাম্প বলেন: ইরানের এই হামলায় কোনো আমেরিকানের নূন্যতম ক্ষতি হয়নি, হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলো সামান্যতম ক্ষতির শিকার হয়েছে মাত্র।
এই হামলার জন্য ইরানকে চড়া মূল্য দিতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। তবে সেটি যুদ্ধের পথে নয়, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কড়াকড়ি করার মাধ্যমে নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
ট্রাম্প বলেন: যুক্তরাষ্ট্র এ হামলার প্রতিশোধ হিসেবে সামনের দিনগুলোতে শাস্তিস্বরুপ আরও কঠিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।
ইরানকে কখনোই পারমানবিক বোমার অধিকারী হতে দেওয়া হবে না বলেও মার্কিন জনগণকে আশ্বস্ত করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
একইসঙ্গে ইরানের সঙ্গে ইউরোপীয় পরাশক্তি, রাশিয়া এবং চীনের ২০১৫ সাল থেকে পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার যে চুক্তি রয়েছে তা থেকে পরাশক্তিগুলোকে বের হয়ে আহ্বান জানান তিনি। যদিও কাসেম সোলাইমানি নিহতের পর ইরান নিজ থেকেই পূর্বের পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।
ইরানের এলিট বাহিনী কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার মধ্যদিয়ে সন্ত্রাসীদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন: ‘তুমি (সন্ত্রাসী) যদি তোমার জীবনকে মূল্য দাও, তাহলে আমাদের জনগণের জীবনের জন্য হুমকি হওয়া থেকে বিরত থাকো।’
এসময় সকলের প্রতি শান্তির বার্তা দিয়ে ট্রাম্প বলেন: যারাই শান্তির পথে আসতে চাইবে, আমরা তাদের সাদরে গ্রহণ করে নিতে প্রস্তুত রয়েছি।
গত সপ্তাহে ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পথে ইরানের কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল সোলাইমানিকে ড্রোন হামলার মাধ্যমে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে কঠিন প্রতিশোধ নেয়ার হুমকির মধ্যেই গত রাতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করে ইরান। ওই হামলার পর ইরানের গণমাধ্যমগুলোতে বলা হয়, ব্যালিস্টিক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৮০ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছে।







