কক্সবাজার থেকে: প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ১০৫, পরের ম্যাচে ইমামুল হকের ব্যাটে ১২০! পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের এই ওপেনারকে নিয়ে ভাবনায় ছিলেন মুমিনুলরা। যারা ভালো করছেন তাদের ঘায়েল করার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরিকল্পনা ঠিকই কাজে লাগল। প্রথম দুই ম্যাচে নতুন বলে শুরু করেছিলেন আবুল হাসান রাজু। ইমার্জিং টিমস এশিয়া কাপে গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বৃহস্পতিবার লাবনী পয়েন্ট প্রান্ত থেকে নতুন বলে শুরু করলেন সাইফউদ্দিন।
ইনিংসের তৃতীয় আর সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় ওভারেই এলো সাফল্য। আগের ম্যাচে হংকংয়ের বিপক্ষে ১০৮ রানের ইনিংস খেলা ইমরান বাট সাজঘরে ফিরেতে হল মাত্র ১ রানে। সাইফউদ্দিনের বলে যখন এলবিডব্লিউ হলেন, দলের রান তখন ৬। অপর ওপেনার ইনফর্ম ইমামুলকে ফেরাতেও বেশি সময় নিলেন না সাইফউদ্দিন। তার নিচু হয়ে আসা বলে বিভ্রান্ত হয়ে এলবিডব্লিউ এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ব্যাক টুক ব্যাক সেঞ্চুরি উপহার দেয়া ওপেনার ফিরে গেলেন আনলাকি থারটিনে। দলের রান তখন মোটে ২০!
দুই ওপেনারের পতনের পর আসল বিপদ এলো পাকিস্তান শিবিরে। ১৫ রানের ব্যবধানে আরও দুই উইকেট নেই তাদের। স্বাগতিক বোলারদের নৈপুণ্যে ৩৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ধুঁকছে পাকিস্তান।
বাঁহাতি স্পিনার রাহাতুল ফেরদৌসের জায়গায় এই ম্যাচে খেলছেন নাঈম হাসান। এই অফস্পিনার প্রথম ওভারেই পেয়েছেন সাফল্য। পাক অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ফিরিয়েছেন ১২ রানে। দলের রান তখন ৩৪। প্যাভিলিয়ন প্রান্ত থেকে আবুল হাসান রাজুর প্রথম স্পেল শেষ হলে বোলিংয়ে আসেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। পরে এ প্রান্ত থেকেও এলো সাফল্য। নাসুমের বলে রানের খাতা খেলার আগেই বোল্ড জাহিদ আলি।
ঝড়ো বাতাস বইছে কক্সবাজারে। সৈকত থেকে ঝাউবন ভেদ করে মাঠে আসছে দমকা হাওয়া। ঝড়ো বাতাসে টস জিতে পাকিস্তানের ব্যাট করার সিদ্ধান্তে মুমিনুলদের খুশিই থাকার কথা, তার উপর জ্বলে উঠেছে তার দলের বোলাররা।








