শুরুর ধারাবাহিক ধাক্কা অব্যাহত। পরে লিটন-মুশফিকে সামাল। আবার বিপর্যয়। সেখান থেকে হঠাৎ সুযোগ পাওয়া ইমরুল লড়লেন রিয়াদের সঙ্গে। বাংলাদেশ পেল ২৪৯ রানের লড়াইয়ের সংগ্রহ।
এশিয়া কাপে সুপার ফোরের এই ম্যাচে বাংলাদেশ টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে। দ্রুত ফিরে যান ওপেনার শান্ত এবং তিন নম্বরে নামা মিঠুন। লিটনকে নিয়ে মুশফিক গড়েন ৬৩ রানের জুটি। পরে রিয়াদ-ইমরুল যোগ করেন আরও ১২৮ রান।
শান্ত ফেরেন পঞ্চম ওভারের শেষ বলে। আফতাব আলমকে হাফভলি বানিয়ে কাভার দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন। কানায় লেগে উঠে যায় পয়েন্টের আকাশে। ওখানে ছিলেন রহমত শাহ। বলে চোখ রেখে তালুবন্দি করেন। ১৮ বলে ৬ করে ফিরতে হয় শান্তকে।
পরের ওভারের তৃতীয় বলে মিঠুনকে ফেরান মুজিব উর রহমান। টার্ন করে ভেতরে ঢোকা বল ঠিকমতো সামলাতে ব্যর্থ হন মিঠুন। প্যাডে লাগলে আম্পায়ার আঙুল উঁচু করে দেন। রিভিউ না নিয়েই ১ রানের মাথায় পথ ধরেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান।
এরপর মুশফিক-লিটন ৬৩ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি ভাঙেন রশিদ খান। অফস্টাম্পের এক বলে সামনে ঝুঁকে সুইপ করেন। ঠিক মতো ব্যাটে না লাগলে চলে যায় স্লিপে। ইহসানুল্লাহ অনায়াসে সেটি ধরে ফেলেন। আগের তিন ম্যাচে ১৩ রান করা লিটন এদিন ৪৩ বলে ৪১ করে ফেরেন। একই ওভারের শেষ বলে সাকিব (০) রানআউট হয়ে বিদায় নেন।
২১তম ওভারের পঞ্চম বলে পথ ধরেন মুশফিক। ইমরুল কায়েস লেগসাইডে বল ঘুরিয়ে একপা-দুইপা করে ক্রিজে থেকে যান। মুশফিক ততক্ষণে অনেকটা পথ চলে আসেন। সেখান থেকে আর ফিরতে পারেননি। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ১৪৪ রান করা মুশফিককে ফিরতে হয় ৫২ বলে ৩৩ রান করে।
রিয়াদ অর্ধশতক তুলে নেন ৫৯ বলে। বিদায় নেন ৮১ বলে ৭৪ রান করে। বিদায় নেয়ার আগে ইমরুলকে নিয়ে অনেকটা পথ পাড়ি দেন।
৪৭তম ওভারে আফতাব আলমের একটি সাদাসিধে শর্ট বলে অফসাইড দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সোজা পয়েন্টে ধরা পড়েন।
রিয়াদ ফিরে গেলে মাশরাফীকে (১০) নিয়ে ইমরুল আরও ২১ রান যোগ করেন। পরে মিরাজকে নিয়ে যখন শেষ করেন, তখন দলের স্কোর ২৪৯। ইমরুল শেষ পর্যন্ত ৮৯ বলে ৭২ রানে অপরাজিত থাকেন।








