জাতীয় দলের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি। তাকে ছাড়াই শ্রীলঙ্কা সফরের দুটি টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। ইমরুল কায়েসের খারাপ লাগারই কথা! পারফরম্যান্সের জন্য তো নয়, পুরোপুরি ফিট না থাকার জন্যই বিবেচিত হননি। বিসিএলে খেলে ফিটনেসের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছিল তার। সেই সুযোগটা দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি দিয়েই কাজে লাগালেন এই উদ্বোধনী।
মুশফিকদের সঙ্গে সোমবার দুপুরে লঙ্কাগামী বিমানে চড়া হচ্ছে না। তবে নির্বাচকরা জানিয়েছিলেন, ফিট প্রমাণ হলে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের স্কোয়াডেই ফেরানো হতে পারে ইমরুলকে। ব্যাটে ঝড় তুলে নিজের কাজটা সেরে রাখলেন তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী।
রোববার প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে পূর্বাঞ্চলের বিপক্ষে নেমেছেন ইমরুল। ব্যাটিংয়ে এসেছেন ওয়ানডাউনে। তাতে দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে হাল ধরেছেন। খেলেছেন ১৩৬ রানের ঝলমলে একটি ইনিংস। ১৮ চার ও ২ চয়ে ২১০ বলে নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ইমরুল। অলক কাপালির বলে তাসামুল হককে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন।
প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ইমরুলের এটি ১৫তম শতক। আছে ১৯টি অর্ধশতকও। ৮৭ ম্যাচে ৩৫.৩৭ গড়ে পাঁচ হাজারের ওপর রানের সঙ্গে সর্বোচ্চ ইনিংসটি ২০৪ রানের।
ইমরুল ফেরার সময় দক্ষিণাঞ্চলের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৭৭! জাতীয় দলের বাইরে থাকা আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের ব্যাটে এসেছে ৫৮ রান।
ব্যাটে ঝড় তুলে রানে থাকার আওয়াজটা তো দিলেনই, ইমরুল ক্রিজে সময় কাটিয়েছেন ২৯৪ মিনিট। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। নিজেকে ফিট প্রমাণের কোনো সুযোগই কাজে লাগাতে ভুললেন না পরিশ্রমী এই ক্রিকেটার। এবার বলটা নির্বাচকদের কোর্টে থাকল।








