চট্টগ্রাম থেকে: শেষ ওভারে ড্যারেন স্যামির ৩২ রান নেয়াকে হারের কারণ হিসেবে দাঁড় করাতে নারাজ কুমিল্লার পেসার আল-আমিন হোসেন। তিনি বরং প্রতিপক্ষ পেসার মোহাম্মদ সামির ৯ রানে চার উইকেট আর সতীর্থ ইমরুল কায়েসের আউটকে ম্যাচ হারার পেছনে দায়ী করছেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে আল-আমিন বলেন, ‘একটা ওভারে ৩০/৩২ হতেই পারে। ওদের বোলারদের ইকোনমিও ১০’র উপরে। শুধু সামি ৪ ওভারে ৯ রান দিয়েছে। আমার কাছে মনে হয় ও-ই পার্থক্যটা গড়ে দিয়েছে।’
সামির এমন বোলিংয়ের দিনে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন ইমরুল (০)। আম্পায়ার আউট দেয়ার পর ইমরুলকে নাখোশ হতে দেখা যায়। এই আউটকে ‘বাজে আউট’ মন্তব্য করে আল-আমিন বলেন, ‘স্টাম্প মিস করতো। ইমরুল ইনফর্ম ব্যাটসম্যান। বিগ স্কোরের ম্যাচগুলো একটা-দুইটা আউট পার্থক্য গড়ে দেয়।’
ইমরুলের আউটকে ঠিক কী কারণে বাজে বলছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আল-আমিন বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় বলটি পাঁচ কিংবা ছয় নম্বর স্টাম্পে হিট করতো!’
এদিন মাঠের দুই আম্পায়ার ছিলেন বাংলাদেশের আনিসুর রহমান এবং মোর্শেদ আলী খান।
টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৮৫ রান তোলে রাজশাহী। ইনিংসের শেষ ওভারে সাইফের কাছ থেকে ৩২ রান আদায় করেন ড্যারেন স্যামি। বিপিএলের ইতিহাসে এক ওভারে এটি সবচেয়ে বেশি রানের নজির। সাইফ শেষ ওভারে এমন বল করলেও আল-আমিনকে পাশে পাচ্ছেন, ‘ও কিন্তু শুরুতে ভালো বল করেছে। এমন মাঝে মাঝে হতেই পারে। ও নিশ্চয়ই কামব্যাক করবে।’
কুমিল্লার রশীদ খান দেশে ফিরে যাচ্ছেন। দুর্দান্ত বল করতে থাকা রশীদকে ছাড়তে হলেও হতাশ হচ্ছে না দলটি। আল-আমিনের কথায় সেটাই বোঝা গেল, ‘ও প্রতিদিন চার ওভারে ২০’র কম রান দিচ্ছে। চলে যাচ্ছে বলে দুনিয়া তো আর থেমে থাকতে পারে না। ব্যাকআপ বোলার যেমন ক্রেমার এবং আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মুজিবুল আছে। সব মিলিয়ে আমরা ভালো একটা সাইড। ও দলের সঙ্গে অনেক দিন ছিল, মিস করবো অবশ্যই। তবে যারা আছে তারাও নিশ্চয়ই ভালো করবে।’








