পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দেশটির জাতীয় পরিষদে গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাবটির ওপর আগামী ৪ এপ্রিল ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সোমবার জাতীয় পরিষদে অনাস্থা প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর ৩১ মার্চ পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি করেন ডেপুটি স্পিকার কাশেম খান সুরি।
পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রাশিদ আহমেদ জানিয়েছেন, আগামী ৪ এপ্রিলের আগে অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটির সুযোগ নেই।
ইমরানের মতোই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী উসমান বুজদারের বিরুদ্ধেও অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে।
আগের দিন রোববার, ইসলামাবাদে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সমাবেশ করে ক্ষমতাসীন দল তেহরিক-ই-ইনসাফ। সেই সমাবেশে ইমরান দাবি করে, বিদেশি অর্থে তার সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বিরোধীদলগুলো।
গত ৮ মার্চ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয় বিরোধীদলগুলো। ওই প্রস্তাবের ওপর গত শুক্রবারইভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাতীয় পরিষদের এক জন সদস্যের মৃত্যুর কারণে সোমবার পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবির ঘোষণা দেন স্পিকার আসাদ কায়সার।
অনাস্থা প্রস্তাব আনার পর ইমরান বারবার বলেছেন, ‘পরিস্থিতি যাই হোক, আমি পদত্যাগ করব না। আমি শেষ বল পর্যন্ত খেলব। আমি অনাস্থা ভোটের একদিন আগে তাদের চমকে দেব।’
৩৪২ সদস্যের জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ইমরান খানকে ১৭২ জনের সমর্থন প্রয়োজন। তার দল পিটিআইয়ের সদস্য সংখ্যা ১৫৫। তবে দলের কয়েকজন সদস্য এবং জোট শরীকরা ইমরানের বিরুদ্ধে ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।







