শহীদ আফ্রিদির ১৮ বলে ঝড়ো ৪৯ রানের ইনিংস এবং দীর্ঘ দিন পর দলে ফেরা আহমেদ শেহজাদ এবং মোহাম্মদ হাফিজের অর্ধশতকে টিম টাইগার্সকে জয়ের জন্য ২০২ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করতে হলে টাইগারদের ইতিহাস গড়তে হবে। কেননা, টি২০তে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ১৯০ রান।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রান।
তামিমের ১৩ রান বাদে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। ইমাদ ওয়াসিমের বলে সারজিল খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিম।
শহীদ আফ্রিদির দ্বিতীয় শিকার তামিম ইকবাল। ডিপ স্কয়ারে আফ্রিদিকে তুলে মারতে গিয়ে ইমাদ ওয়াসিমের তালুবন্দী হন এ টাইগার ড্যাশিং ওপেনার। স্কোর বোর্ডে রান তখন ৫৮ রান।
তামিম ইকবালের সঙ্গে ৪৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেরেন সাব্বির রহমান। আফ্রিদির বলে তিনিও বোল্ড হন। ফেরার আগে ১৯ বল খেলে তিনি সংগ্রহ করেন ২৫ রান।
ইনিংসের তৃতীয় বলেই আমির কারিশমায় প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সৌম্য সরকার। স্কোর বোর্ডে রান তখন মাত্র ১। অফ স্ট্যাম্পের বল দারুন ভাবে টার্ন নিলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সৌম্য।
টসে হেরে ফিল্ডিং করতে নেমে শুরুতেই টাইগার বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন দুই পাক ওপেনার আহমেদ শেহজাদ এবং সারজির খান।
তবে, তৃতীয় ওভারে সারজিল খানকে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরলে প্রথম সাফল্য আসে বাংলাদেশের ঘরে। সারজিলের উইকেটটি তুলে নেন আরাফাত সানি। ফেরার আগে তিনি ১০ বল খেলে সংগ্রহ করেন ১৮ রান।
এরপরই টাইগার বোলারদে হতাশা উপহার দিয়ে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ গড়েন মোহাম্মদ হাফিজ এবং আহমেদ শেহজাদ। ১৪তম ওভারের এক বল বাকি থাকতে সাব্বির রহমানের বলে মিড উইকেটে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শেহজাদ। ফেরার আগে ৩৯ বল থেকে তিনি সংগ্রহ করেন ৫২ রান। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১২১।
১৭তম ওভারে সীমানার কাছে মোহাম্মদ হাফিজের দুর্দান্ত ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। সীমানার কাছে ছয় হতে যাওয়া হাফিজের পাওয়ার শট প্রথম সুযোগে থামান সৌম্য। এরপরই সীমানার বাইরে থেকে দৌড়ে এসে ক্যাচ নেন এ বাহাতি। আরাফাত সানির দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৬৪ রান।
হাফিজ ফেরার বারো রান বাদেই ফেরেন হাফিজের জায়গায় ব্যাট হাতে নামা উমর আকমল। মিড অফে তিনি তাসকিনের বলে সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২০১ রানে। শোয়েব মালিক ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
টাইগারদের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি এবং তাসকিন আহমেদ।






