ঢাকা সেনানিবাসের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে সংরক্ষিত আছে কথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারের জন্য গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কক্ষ। ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য নামের এই মামলার বিচারকাজের জন্য ট্রাইব্যুনালটি গঠিত হয়।
শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ২৭ জন সামরিক এবং ৮ জন বেসামরিক নাগরিকের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অফিসার-ইনচার্জ মেজর সারাহ্ আমির জানান, ৬৮ সালের ১৯ জুন এই ট্রাইব্যুনাল কক্ষেই শুরু হয় বিচারকাজ।
মামলার ২৯ নম্বর আসামি ফ্লাইট সার্জেন্ট আব্দুল জলিলেল বাসা থেকে একটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করে মামলার আলামত হিসেবে আদালতে দাখিল করা হয়েছিল। সেটিও এই জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
প্রহসনমূলক এ মামলার বিরুদ্ধে ওই সময় গড়ে ওঠে তুমুল গণআন্দোলন। বিচারকাজ চলাকালীন মামলার ১৭ নম্বর আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক সেনানিবাসের ভেতরে কারাগারের অভ্যন্তরে পাকিস্তানি সৈনিকের গুলিতে নিহত হন।
এতে আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়ে গোটা পূর্ব বাংলায়। পাকিস্তান সরকার বাধ্য হয় শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে।
১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে ১০ লাখের বেশি ছাত্র জনতার সমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








