আজাহার আলীর পর অভিজ্ঞ ইউনুস খানকে ফেরালেন তাইজুল। তাইজুল ইসলামের বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফিরে গেছেন ৩৩ রান করা সাবেক পাকিস্তানি এ অধিনায়ক।
শেষ পর্যন্ত তিন উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩৭৩ রান। মোহাম্মদ হাফিজ ২০৯ রানে অপরাজিত আছেন।
দলীয় ২৭৭ রানে আজাহারের ফেরার পর উইকেটে আসেন ইউনুস। তবে ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া মোহাম্মদ হাফিজকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি তিনি।
তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই সতর্ক থেকে ব্যাট করছিলেন গতকাল থেকে উইকেটে জেঁকে বসা সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ হাফিজ এবং আজহার আলি। ওই জুটি দলীয় স্কোর বোর্ডে যোগ করে ২২৭ রান।
এর আগে ১০৫ রানে পিছিয়ে থেকে মিসবাহ বাহিনী তৃতীয় দিন শুরু করে।
দ্বিতীয় দিনে হাফিজের শতকে শক্ত অবস্থান নেয় পাকিস্তান। টাইগারদের প্রথম ইনিংসে করা ৩৩২ রানের জবাবে পাকিস্তান নিজেদের প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় দিন শেষে এক উইকেট হারিয়ে তোলে ২২৭ রান।
দ্বিতীয় দিনে শুধুমাত্র এক উইকেটের সাফল্য নিয়ে চাপের মধ্য থেকে দিন শেষ করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানি ওপেনার সামি আসলামকে উইকেটের পেছনে মুশফিকের গ্লাভসবন্দি করেন তাইজুল ইসলাম। আউট হওয়ার আগে অভিষিক্ত এ ব্যাটসম্যান করেন ২০ রান।
এরপর হাফিজের সাথে ২২৭ রানের জুঁটি গড়ে ফেরেন ওয়ানডে অধিনায়ক আজাহার আলী। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে শুভাগত হোমের শিকারে পরিনত হন তিনি। এছাড়া আরও কিছু সুযোগ আসলেও কাজে লাগাতে পারেনি মুশফিকের দল।
আঙুলে চোঁটের কারণে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। যদিও এক্স-রের পরে সে আঘাত গুরুতর নয় বলে জানিয়ে ছিলেন মিডিয়া ম্যানেজার। আরও সুস্থতার কারণে তাকে এখন পর্যন্ত বিশ্রামে রাখা হলেও দলের প্রয়োজনে আবারও মাঠে দেখা যাবে তাকে।
এর আগে টেস্টের প্রথম দিন চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ২৩৬ রান। দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৯৬ রান যোগ করে ৩৩২ রানে অলআউট হয়ে যায় মুশফিক বাহিনী।







