‘রাতের বেলা গুলির শব্দ শুনি, আলো নিভিয়ে বসে থাকতে হয়; আমাদের উদ্ধার করেন’, এভাবেই ফেসবুক লাইভে এসে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন ইউক্রেনের কিভারতিসি শহরের একটি অভিবাসী শিবিরে আটকে থাকা ৫ বাংলাদেশি।
ডয়েচে ভেলের এক ভিডিও প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের টুইটার অ্যাকাউন্টেও ডয়েচে ভেলের ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে।
ভিডিওতে রিয়াদুল মালিক নামে এক বাংলাদেশি লাইভে এসে সেখানকার পরিস্থিতি বর্ণনা করেছেন। তার সাথে ভিডিওতে ছিলেন আরও কয়েকজন বাংলাদেশি।
ওই ক্যাম্পে সবার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন তিনি। একটি ফোন লুকিয়ে রাখার ফলে লাইভে আসতে পেরেছেন বলে জানান রিয়াদুল।
তিনি জানান: এই ক্যাম্পে প্রচুর পরিমাণে সেনা সদস্য রয়েছে। আর রাশিয়া সৈন্যদের লক্ষ্য করেই বোমা ফেলায় অনেক আতঙ্কে রয়েছেন তারা।
ওই ক্যাম্পে তাদের সবাইকে আটকে রাখার অভিযোগ করে তিনি বলেন: একটি রুমে ১০ থেকে ১২ জনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। লাইট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মারধর করা হয়েছে।
এখানে জীবনের এক মিনিটেরও নিশ্চয়তা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন তাদেরকে উদ্ধারে এগিয়ে আসার জন্য।
তবে রিয়াদুল জানান: অন্য ক্যাম্পগুলো থেকে সবাইকে ছেড়ে দিলেও তাদেরকে ছাড়া হচ্ছে না। তারা বেলারুশ সীমান্ত থেকে মাত্র ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছেন।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের নির্দেশ দেন। পরে বিভিন্ন শহরে হামলার খবর পাওয়া যায়। এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর দখলে নিয়েছে রুশ সেনারা।
আজ শনিবার মানবিক কার্যক্রম চালানোর জন্য ইউক্রেনের মারিওপোল ও ভলনোভকা শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।










