পুরো দিনে ৯০ ওভার বল করে শিকার কেবল এক উইকেট। ওয়াকায় তৃতীয় দিনে ইংল্যান্ডের বোলাররা বল করেছেন আর হাঁ-হুতাশ করে মরেছেন! উইকেটে অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ ও মিচেল মার্শ এমনভাবে ঘাটি গেঁড়ে বসেছেন যে, রান চাপায় পড়েছে ইংল্যান্ড। স্মিথ পেয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় দ্বিশতকের দেখা। মিচেল আছেন চতুর্থ দিনে নিজের অভিষেক শতককে ‘দ্বিগুণ’করার অপেক্ষায়।
শনিবার অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টে পার্থের ওয়াকায় তৃতীয় দিন শেষে ৫৪৯ রানের পাহাড় গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিশদের থেকে এখনই ১৪৬ রানে এগিয়ে অজিরা। হাতে আছে ৬ উইকেট।
দ্বিতীয় দিনে ৯২ রানে অপরাজিত থাকা স্মিথ তৃতীয় দিনের শুরুতেই তুলে নিয়েছেন শতক। ৭ রানে দিন শুরু করা শন মার্শ ২৮ রানে ফিরলে ক্রিজে আসেন তার অনুজ মিচেল মার্শ। ম্যাচের আগে পিটার হ্যান্ডসকম্বের জায়গায় দলে জায়গা পাওয়ায় মিচেলকে নিয়ে সমালোচনা হয়েছে এক চোট। উইকেটে এসে যেন তারই ঝাল মেটালেন অজি অলরাউন্ডার। পাল্লা দিয়ে ব্যাটিং করেছেন স্মিথের সঙ্গে।
পঞ্চম উইকেটে স্মিথ-মার্শ জুটির সংগ্রহ ৩০১ রান। তাতে মিচেল মার্শের অবদান ১৮১ রান, ২৩৪ বলের ইনিংসে ২৯টি চার। স্মিথ অপরাজিত আছেন ২২৯ রানে, ৩৯০ বলের ইনিংসে ২৮টি চার ও একটি ছয় মেরেছেন। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরির পথে একটি ব্যক্তিগত মাইলফলকও ছুঁয়েছেন অজি অধিনায়ক। ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা চার বর্ষপঞ্জিতে হাজারের উপর রান করলেন স্মিথ। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর হাজার রান করে স্মিথের উপরে আছেন তারই স্বদেশী ম্যাথু হেইডেন।
ইংলিশদের একমাত্র সফলতা এসেছে মঈন আলির হাত ধরে। শন মার্শকে অধিনায়ক জো রুটের ক্যাচ বানিয়েছেন। এরপর বাকি দিনে সফরকারীদের কেবল হতাশাই উপহার দিয়েছেন স্মিথ-মার্শ। চতুর্থ দিনে বাকি ছয় উইকেটে কোথায় গিয়ে থামবে অজিরা সেটাই এখন হাজার টাকার প্রশ্ন ইংলিশদের কাছে।








