আয়ারল্যান্ডকে গুড়িয়ে দিয়ে রেকর্ড জয় পেয়েছে পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আইরিশদের ২৫৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে আজহার আলীর দল। রানের হিসেবে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় এবং ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি সপ্তম বড় জয়।
শারজিল খানের বিস্ফােরক সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের করা ৩৩৭ রানের জবাবে আয়ারল্যান্ড অলআউট হয় মাত্র ৮২ রানে! এ জয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।
বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম ৫ দশমিক ৪ ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। এটাই তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ইমাদের ৫ উইকেট ছাড়া উমর গুল ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন। চার ওভার বল করে ৭ রান দিয়ে মোহাম্মদ আমির নেন এক উইকেট। অপর উইকেটটি পেয়েছেন মোহাম্মদ নাওয়াজ।
বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। মোহাম্মদ আমিরের বলে বোল্ড পল স্টারলিং। এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়ে ২৩.৪ ওভারে মাত্র ৮২ রানেই গুটিয়ে যায় আইরিশরা।
এর আগে আবহাওয়ার সমস্যা কারণে ৫০ ওভারের ম্যাচের পুরোটা খেলতে পারেননি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। মাঠে গড়িয়েছে ৪৭ ওভার। এতেই সফরকারীদের স্কোরশিটে তিনশোর্ধ্ব রান জমা করেন শারজিল-মালিকরা।
যদিও টসে হেরে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। মাত্র ১৭ রানের মাথায় অধিনায়ক আজহার আলীকে (১) হারিয়ে বিপদে পড়ে সফরকারীরা। তাকে সাজঘরে ফিরিয়েছেন ম্যাকক্যাথে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে পাকিস্তান ফিরে পায় স্বস্তি।
৯০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন শারজিল খান ও মোহাম্মদ হাফিজ। এই জুটিতে আঘাত হানেন চেইজ। তুলে নেন ৩৭ রান করা হাফিজের উইকেটটি। তৃতীয় উইকেটে বাবর আজমকে নিয়ে ৯৬ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে রাখেন শারজিল। ব্যক্তিগত ২৯ রানে ম্যাকক্যাথের শিকার হন বারব (২৯)।
শারজিল খান সেঞ্চুরি করে ম্যাকক্যাথের ধরাশায়ী হয়েছেন। বিদায়ের আগে ৮৬ বলে ১৯টি চার ও ৯টি ছক্কায় ১৫২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন শারজিল। শেষ দিকে দ্রুত রান তোলেন শোয়েব মালিক ও মোহাম্মদ নওয়াজ। দুজনেই ফিফটি করেছেন। ব্যক্তিগত ৫৩ রানে ম্যাকক্যাথের কাছে নওয়াজ হার মানলেও মালিক অপরাজিত ছিলেন ৫৭ রানে।
১০ ওভারে ৬২ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে আয়ারল্যান্ডের সেরা বোলার ম্যাকক্যাথে। একটি করে উইকেট নিয়েছেন টেইজ ও মারটাগ।








