অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি নাগরিক ও মানবাধিকার সংগঠন ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের জন্য একটি বিরল ‘ভ্রমণ সতর্কতা’ জারি করেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই সতর্কবার্তায় তারা যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদ ও সহিংসতার’ দিকেই এগোচ্ছে বলে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক দর্শকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনগুলো।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বিদেশি পর্যটকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযৌক্তিক বাধা দেয়া হতে পারে। এমনকি তাদের ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়া তল্লাশির শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এই সতর্কবার্তাকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন পর্যটন কর্মকর্তারা। ইউএস ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী জিওফ ফ্রিম্যান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি- এমন ধারণা ভুল। এটি মূলত অর্থনৈতিক ক্ষতি করার একটি কৌশল।’ গত বছর ৬ কোটি ৭০ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটক যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করেছেন উল্লেখ করে তিনি একে অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেন।
ফ্রিম্যানের মন্তব্যের বিপরীত ঘটনা অবশ্য ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর এবং ১৯টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এর মধ্যে বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশচুম্বী দাম এবং হোটেলগুলোতে আশানুরূপ বুকিং না হওয়ায় অর্থনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কা করছে পর্যটন শিল্প।
আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ। যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি স্টেডিয়ামসহ কানাডা ও মেক্সিকোর মোট ১৬টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসর।








