ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ থেকে রক্ষা পেতে আশ্রয় কেন্দ্রে আসছে উপকূলবাসী। রাত থেকে মাইকিং করে উপকূলবাসীকে সতর্ক করা হয়। এরইমধ্যে সাইক্লোন শেল্টার এবং স্কুল-কলেজগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে হাজারো মানুষ।
গতরাত ১১ টার পর থেকে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চলছে মাইকিং। প্রথমদিকে মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে না আসলেও শেষ রাতের দিকে সাইক্লোন শেল্টারে আসতে শুরু করে।
চট্টগ্রামের পাঁচটি উপজেলার স্কুল কলেজ ও সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খোলা হয়েছে পাাঁচটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। বন্দর কর্তৃপক্ষও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।
কক্সবাজার জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে তৈরি রাখা হয়েছে। উপকূলবাসীকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং চলছে মঙ্গলবার রাত থেকে। কক্সবাজারে পাহাড়ের নিচে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
চাঁদপুর থেকে সব ধরণের লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ৯৭টি মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। নোয়াখালীর উপকূলীয় এলাকা হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানিঞ্জে রেড ক্রিসেন্টের সে¦চ্ছাসেবকরা মাইকিং করে উপকূলবাসীকে সতর্ক করছেন।
পিরোজপুরে ৪শ’৫২টি সাইক্লোন শেল্টার এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সাত উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস। মঠবাড়িয়া উপজেলা ও ভান্ডারিয়া উপজেলার তেলিখালী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলো এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।







