বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ ওয়ানডে খেলার রেকর্ড স্পর্শ করতে যাচ্ছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপপর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নামলেই রেকর্ডের শীর্ষে থাকা মোহাম্মদ আশরাফুলের সঙ্গী হবেন টাইগারদের ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক।
ওভালে সোমবার সন্ধ্যা ৬.৩০মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নামবে বাংলাদেশ। সেটি হতে যাচ্ছে লাল-সবুজের জার্সিতে মাশরাফি-সাকিবের ক্যারিয়ারের ১৭৫তম ওয়ানডে ম্যাচ। নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকা আশরাফুল ১৭৫টি ওয়ানডে খেলে এতদিন শীর্ষে।
আগামী ৯ জুন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নামলে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ওয়ানডে খেলার রেকর্ডটা নিজেদের করে নিতে পারবেন মাশরাফি-সাকিব।
তবে মাশরাফি ক্যারিয়ারে আরো দুটি ওয়ানডে খেলেছেন। সেটি ২০০৭ সালে আফ্রো-এশিয়া কাপে এশিয়া একাদশের হয়ে আফ্রিকা একাদশের বিপক্ষে। ওই দুটি ওয়ানডেসহ এখন পর্যন্ত মোট ১৭৬টি ম্যাচে ১৫৫৭ রান মাশরাফির। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৫১। আর উইকেট ২৩১টি। সেরা ২৬ রানে ৬ উইকেট। ২০০১ সালে নভেম্বরে চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবার ওয়ানডের জার্সিতে নেমেছিলেন টাইগার অধিনায়ক।
সাকিব ক্যারিয়ারে ১৭৪ ওয়ানডেতে ৪৮২৫ রান করেছেন। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৪ রানের সঙ্গে ৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৪টি ফিফটি আছে তার। বোলিংয়ে সেখানে ২২৪ উইকেট, সেরা ৪৭ রানে ৫টি। ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই প্রথম ওয়ানডে খেলতে নেমেছিলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
মাশরাফি-সাকিব হয়তো সোমবারই আশরাফুলের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন। তবে পিছিয়ে নেই টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও, ১৭৩টি ওয়ানডে খেলে কাছাকাছিই আছেন তিনি। তামিম ইকবাল সেখানে ১৭০টি ওয়ানডে খেলেছেন।








