ধানমণ্ডি অঞ্চলের অবরোধে হঠাৎ এক মোটরসাইকেল আরোহী বাধার মুখে পড়লেন। এগিয়ে দেখা গেলো ছাত্ররা না, মোটরসাইকেল আরোহীকে হেঁটে যেতে বাধ্য করছেন এক মধ্যবয়সী নারী।
ভ্যাট বিরোধী আন্দোলনে এখন আলোচিত এক চরিত্র তিনি, নাম তার মঞ্জুরা ইরানি।
স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ছাত্র আমিনুলের মা মঞ্জুরা চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ছাত্রদের অবরোধে সমর্থন জানাতেই তিনি রাস্তায় নেমেছেন। অবরোধের দুইদিন তিনি পায়ে হেঁটে ছাত্রদের সমর্থন জুগিয়েছেন।
প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী বলেন, আমার তিন সন্তানের মধ্যে দুইজনই প্রতিবন্ধী। দুই প্রতিবন্ধী বাচ্চাকে ঘরে একা রেখে রাস্তায় নেমেছি। ইস্টওয়েস্টেও জলকামানের সামনে দাঁড়িয়েছি। ছাত্ররা এখন আমাকে ‘মা ইরানি’ বলেই চেনে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু ধনীর ছেলে-মেয়েরাই পড়ে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসার পথে সংসদ ভবনের সামনে বয়স্ক এক রিক্সাওয়ালার সাথে দেখা হয়েছিলো। তিনি রাস্তার পশে বসে কাঁদছেন। ঢাকা শহরে রিক্সা চালিয়ে চট্রগ্রামের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেকে পড়াচ্ছেন।
আর দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়া মেয়েকে নিয়ে আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করতে এসেছিলেন বরমী ডিগ্রী কলেজ শ্রীপুর, গাজীপুরের প্রিন্সিপাল তোফাজ্জল হোসেন।
চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন, আমাদের সীমিত রোজগার। তার ওপর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোতে খরচের বাড়তি চাপ। এখন যদি বাড়তি ভ্যাট গুণতে হয় তাহলে চাপে পড়তে হবে আমাদের মতো সীমিত আয়ের লোকেদের। তাই শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে এসেছি।






