মেহেদী যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন সূর্যটা ডুবে গেছে, মিরপুর স্টেডিয়ামে তখন আলো দিচ্ছে কৃত্রিম ফ্লাডলাইট। সেই আলোতেই নিজেকে মেলে ধরলেন। ফ্লাডলাইটের আলো ছাপিয়ে নিজেই আলো হয়ে জ্বলে উঠলেন।
বরিশালের বোলারদের পাড়ার বোলার বানিয়ে মাত্র ৩০ বলেই তুলে নেন নিজের বিপিএলের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। এর আগে টি-টুয়েন্টিতে তার সর্বোচ্চ রান ছিল ৩৭।
বরিশালের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমেই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাট চালিয়েছেন এই ২৮ বয়সী ব্যাটসম্যান। আল আমিনের করা প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই স্কয়ার লেগের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকান। সেই শুরু কাউকেই ছাড়েননি মারুফ। চারের চাইতে ছক্কা হাঁকাতেই বেশি ভালবাসেন মারুফ। আর ছক্কা হাঁকিয়ে মজা পেয়েছেন বোধহয় আল আমিনের বলেই। তৃতীয় ওভারে আল আমিনের বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে যে ছক্কাটি মারলেন, তা দেখে ধারাভাষ্যকাররাও বললেন….বিশাল…বিশাল..
৩০ বলে ৫০ ছুঁতে চারটি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ৪৪ বলে পাঁচটি চার ও পাঁচটি ছয়ে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন মেহেদী মারুফ।
গেল বছর বিপিএলে বরিশাল বুলসের হয়ে খেলেছিলেন, আর ২০১৩ সালে রংপুর রাইডার্সে। ফাস্ট ক্লাস ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ১৪১ রানের একটি ইনিংস খেলেছিলেন টাঙ্গাইলে জন্মগ্রহন করা মেহেদী মারুফ।







