যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলোতে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকেই তাদের আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে। টিউশন ফি, বই এবং জীবন নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ বহনের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারলেই মিলবে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ।
শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আসার জন্য ধারাবাহিক একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এর জন্য প্রথমেই আগ্রহী শিক্ষার্থীদের একটি স্কুল নির্ধারণ করতে হবে এবং ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। এদের মধ্য থেকে নির্বাচিতরা পাবেন স্টুডেন্ট ভিসা।
স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদনকারী সবাইকে যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষাগ্রহণ কালে টিউশন গ্রহণ, বই এবং জীবন নির্বাহের খরচ চালানোর মতো আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে। এর জন্য ব্যাংক স্টেটম্যান্টস, স্পন্সর এবং আর্থিক সহায়তার দলিল এবং স্কলারশিপের চিঠি উপস্থাপন করতে হবে। তবে স্কুলভেদে গ্রহণীয় দলিলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত থাকতে পারে। স্কুলের মনোনীত কর্মকর্তা ভর্তিচ্ছু আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরকে এ বিষয়ে তথ্য সরবরাহ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ধারা মেনে চলতে হয়। প্রথমত যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা স্টুডেন্ট এবং এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম দ্বারা সার্টিফায়েডকৃত এক বা একাধিক স্কুলে ভর্তির আবেদন করবে। শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তির জন্য আগ্রহী স্কুল কর্তৃক আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদেরকে ফর্ম ১-২০,“সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি ফর ননিমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাস” পাঠানো হবে।
যেসব শির্ক্ষার্থীদেরকে শর্তসাপেক্ষ ভর্তিগ্রহণের প্রস্তাব দেয়া হবে তাদেরকে অবশ্যই আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে। একই যোগ্যতা এফ-১ এবং এম-১ এর সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। ১-২০ ফর্মটিতে স্কুলে শিক্ষাগ্রহণকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি এবং জীবন নির্বাহের খরচের প্রতি নির্দেশনা থাকবে।
তবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের স্কুল কর্তৃক ফর্ম ১-২০ ইস্যু করার আগে অবশ্যই আর্থিক সামর্থের প্রমাণ স্কুলটির মনোনীত কর্মকর্তার কাছে সরবরাহ করতে হবে। স্কুল কর্তৃক মনোনীত কমকর্তা স্কুল এবং শিক্ষার্থী এবং এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম এর মধ্যে সংযোগের কাজটি করবে। যুক্তরাষ্ট্রের স্কুল এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের দেশটির আইন ও বিধি মোতাবেক পরিচালনা নিশ্চিত করতে এটি একটি সরকারি প্রোগ্রাম।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসেই সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজ করতে পারবে। তবে আর্থিক সমর্থন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের এই আয়কে বিবেচনা করা হবে না।






