ইংল্যান্ড দলে ডাক পাওয়ার পর থেকেই যেন মধুর সময় চলছে জফরা আর্চারের। মাত্র ২২ ওভারের অভিজ্ঞতা নিয়ে ইংলিশদের বিশ্বকাপ দলে ডাক পেলেন। জিতলেন বিশ্বকাপ। আসরে হলেন দলটির সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। জেমস অ্যান্ডারসন না থাকায় এখন অ্যাশেজে ‘থ্রি লায়ন্স’দের পেস ব্যাটারির অন্যতম ভরসা হয়ে উঠতে সময় নেননি বার্বাডোজে জন্ম নেয়া এই পেসার।
অল্প সময়ে বহু গুণগ্রাহী জুটিয়ে ফেলেছেন আর্চার। মাইকেল ভন থেকে শুরু করে বেন স্টোকস পর্যন্ত তাকে বেশ পছন্দ করেন। অল্প রানআপে ৯০ মাইল বেগে বল করতে পারা বোলার যেন ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সোনার ডিম দেয়া হাঁস হয়ে উঠেছেন। তাই তাকে পুরস্কৃত করতে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে আনার পরিকল্পনা সেরে ফেলেছে বোর্ডটি। তাতে এক বছরেই টাকার কুমীর হয়ে উঠতে পারেন আর্চার।
আগামী অক্টোবরে আর্চারের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলবে ইসিবি। সাধারণত খেলোয়াড়দের মান অনুযায়ী চুক্তি করে ইসিবি। বর্তমান চুক্তিতে উপরের সারির একজন ইংলিশ টেস্ট ক্রিকেটার পান ৪ লাখ ৭৫ হাজার পাউন্ড। আগামী বছর থেকে নতুন সম্প্রচার চুক্তি হওয়ায় আয় বাড়ছে ক্রিকেটারদের। সেক্ষেত্রে নতুন চুক্তিতে একজন খেলোয়াড়ের আয় হতে পারে ৬ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড।
সাদা পোশাকের ক্রিকেটেও খেলোয়াড়দের কামাই নেহাত কম নয়। ইসিবির চুক্তিতে ১৭ হাজার পাউন্ড থেকে ২.৫ লাখ পাউন্ড বেতন পান একেকজন ক্রিকেটার। আর্চারের গুণে এতটাই মুগ্ধ ইসিবি যে সাদা-রঙিন দুই ক্রিকেটের চুক্তিতে উপরের সারিতে রাখতে কসুর করবে না বোর্ডটি। সেক্ষেত্রে কেবল জাতীয় দলের ক্রিকেট খেলেই মিলিয়নিয়ার হয়ে যাবেন ক্যারিবীয় বংশোদ্ভূত পেসার।
এর বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক ক্রিকেট থেকেও দুহাতে টাকা কামাবেন আর্চার। গত আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালস থেকে ৮ লাখ পাউন্ড কামিয়েছেন। খেলেছেন বিপিএলে। সব মিলিয়ে মাত্র দুই বছরেই আঙুল ফুঁড়ে কলা গাছ হয়ে যাচ্ছে ২৪ বছর বয়সী পেসারের।








