ময়মনসিংহ, জামালপুর ও পটুয়াখালীর ১৩ রাজাকারের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী
অপরাধের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে তদন্ত সংস্থা। আসামিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা,
হত্যা, নির্যাতন এবং ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও মানবতাবিরোধী
অপরাধের অভিযোগে আটক ময়মনসিংহের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের
বিরুদ্ধে আগামী মাসে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে তদন্ত সংস্থা।
এর বাইরে আটক পটুয়াখালীর শান্তি কমিটির সদস্য এছাহাক সিকদার, একই জেলার রাজাকার গণি হাওলাদার, আওয়াল মৌলভী, আবদুল ছত্তার এবং সোলায়মান মৃধার বিরুদ্ধে ১৬ অভিযোগে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার কথাও জানায় তদন্ত সংস্থা।
একই দিন ময়মনসিংহের আলবদর সদস্য, আটক রেজাউল করিম, ইউসুফ আলী ও পলাতক কাজী বদরুজ্জামান এবং জামালপুরের আলবদর সদস্য, আটক এ বি এম ইউনুছ আলী, ওমর ফারুক, পলাতক নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ ইসমাইল এব একেএম বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে ৮ অভিযোগে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা।
একই সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া ময়মনসিংহের সংসদ সদস্য এম এ হান্নানের তদন্ত নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান তদন্ত সংস্থার প্রধান। তিনি বলেন, আমরা মনে আমাদের বেশি সময় আর লাগবে না। আগামী মাসেই প্রতিবেদন জমা দিতে পারব। তদন্ত শেষ পর্যায়ে কিছু বাকি অাছে।
বর্তমান সময়ে বিচার যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেজন্য তদন্তে ফাঁকফোকড় না রাখার চেষ্টা করা হয়। তাই হঠাৎ করেই তদন্তে কোনো পয়েন্ট চলে আসলে বা কারো নাম চলে আসলে সেগুলো বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হয়। তাই তদন্তর সব কাজ শেষ করার পরই আমরা রিপোর্ট জমা দেয়।
বিএনপির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কোনো তদন্ত হচ্ছে কি না সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন তদন্ত সংস্থা।
বলেন, কাগজপত্রে দেখা যায়, ওসমান ফারুক স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি ছিলেন। তা তদন্তে স্পষ্টভাবে আনা হয়েছে। স্বাধীনতার সময় এগ্রিকালচার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১জন শিক্ষক পাকিস্তান বাহিনীকে সহায়তা করতেন।
তার মধ্যে ওসমান ফারুকের নাম রয়েছে। ওনিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে কিছু কিছু অভিযোগ আছে। এখন প্রাথমিকভাবে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
সাবেক অনেক সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানায় তদন্ত সংস্থা।










