একযুগ আগের কথা। সালটা ছিল ২০০৫, মাসটা এই জুন, তারিখ ছিল ১৮! রান ছিল ২৪৯! এবার আরেকটি জুন, তারিখ ৯! রান মাত্র ১৬টি বেশি, ২৬৫! দুটিই কার্ডিফে। যেখানে ইতিহাসের প্রেরণা নিয়েই ইতিহাস ফেরানোর অপেক্ষায় বাংলাদেশ।
সোফিয়া গার্ডেন্সে ২০০৫ সালের প্রতিপক্ষ ছিল সেসময়ের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। পরাক্রমশালী রিকি পন্টিংয়ের দলকে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানে আটকে রাখে মাশরাফি-রফিকদের বোলিং আক্রমণ।
পরে মোহাম্মদ আশরাফুলের ১১ চারে সাজানো ১০১ বলে ১০০! পাঁচে নামা অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের ৪৭, আর আফতাবের অপরাজিত ২১ রানের পিঠে ভর করে ৪ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই পাওয়া অবিস্মরণীয় সেই জয়।
সেই ম্যাচের পর এবারই প্রথম কার্ডিফে খেলতে গেছে বাংলাদেশ। মাশরাফি এবার অধিনায়ক। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেশী নিউজিল্যান্ড। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নয়, গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের রানার্সআপ। তবে পরাক্রমশালী তো নয়ই। এইতো কদিন আগেই আয়ারল্যান্ডের মাটিতে কিউইদের হারিয়ে দেয়া গেছে। গত কয়েক বছরে ব্ল্যাক ক্যাপসদের বিপক্ষেই জয়ের অনেকগুলো নজীর আছে টাইগারদের।
সেখানে নিউজিল্যান্ডকে ২৬৫ রানে আটকে রেখে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির দারুণ এক সম্ভাবনাই জাগাল মাশরাফির দল। এই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরুর ম্যাচেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩০০ পেরোনো সংগ্রহ গড়েছিল বাংলাদেশ। এবার আড়াইশ পেরিয়ে যাওয়া খুব বেশি কঠিন হবে কি লাল-সবুজদের জন্য?
উত্তর আর কয়েকঘণ্টা পরেই মিলবে। তাতে মিল থাকতে পারে আরো অনেক কিছুর। আপাতত কিছু মিল তো হয়েই গেছে। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ছিল ২টি ফিফটি, শুক্রবার নিউজিল্যান্ড ইনিংসেও থাকল দুটি। ওই ম্যাচে চারে নামা ডেমিয়েন মার্টিন করেছিলেন ফিফটি (৭৭), এই ম্যাচে চারে নেমে রস টেইলর করলেন ৬৩!
ম্যাচ শেষ হতে হতে হয়তো আরো কিছু মিল পাওয়া যাবে। যার মিল থাকবে একটি শব্দেরও ‘জয়’! তাতে কার্ডিফে রচিত হবে আরেকটি লাল-সবুজের ইতিহাস।








