রাজধানীর গোপীবাগে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ-বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় হেলমেট পরিহিত অস্ত্রধারী যুবক বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আরিফুল ইসলামের ব্যবহৃত অস্ত্র বৈধ নাকি অবৈধ সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আরিফুলের বাড়ি বরিশালে। ছাত্রদলের সাবেক নেতা আরিফুল বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাকের পিএস হিসেবে দায়িত্বরত। গত ২৬ জানুয়ারি রাজধানীর ওয়ারী থানাধীন গোপীবাগ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা বিভাগও ছায়া তদন্ত শুরু করে।
ওই ঘটনায় নানা ধরণের তথ্যের অবতারণা হয়। যে কারণে সেদিনের অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসাটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
আব্দুল বাতেন বাতেন বলেন, ঘটনার পর আমরা গুলির খোসা পেয়েছি ঘটনাস্থল থেকে। সেই গুলির খোসার সঙ্গে তার জব্দ করা গুলির মিল পাওয়া গেছে। তার ব্যবহৃত অস্ত্রটি বৈধ নাকি অবৈধ তা তদন্ত করে দেখা হবে। তবে বৈধ অস্ত্র যদি কেউ অবৈধভাবেও ব্যবহার করেন তাহলেও তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ব্যবস্থা নেয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, তদন্তে স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এক পর্যায়ে গুলিবর্ষণকারী অস্ত্রধারীকে শনাক্তে ভিডিও ফুটেজ ও স্থির চিত্র সংগ্রহ করা হয়। তার মুখমণ্ডল, পরিহিত জামা-কাপড়, জুতা, হেলমেট বার বার পর্যবেক্ষণ এবং গুলিবর্ষণের কিছুক্ষণ আগে ধারণকরা স্থিরচিত্রের সঙ্গে হেলমেটবিহীন ছবি মিলিয়ে আরিফুলকে শনাক্ত করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফুল সেদিন গুলি বর্ষণের কথা স্বীকার করেছে বলেও জানান তিনি।
এরআগে বুধবার রাতে আরিফুল ইসলাম (৪৭) নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও ৫০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।








