প্রতিভাবান তরুণ-অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলটি খোঁড়াতে খোঁড়াতে প্রথম রাউন্ড পার করেছে। দ্বিতীয় রাউন্ডে আর পারল না। ফ্রান্সের কাছে ৪-৩ গোলে হেরে বাড়ির পথ ধরেছে আর্জেন্টিনা। হারের পর কোচ হোর্হে সাম্পাওলি হতাশার সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের খেলার ধরন নিয়ে কোচ বলেছেন, ‘মেসির বল পেতে সুবিধার জন্য আমরা এভাবে খেলেছিলাম। বিপক্ষ দলের জালে ৩ গোল দেয়ার পরও হেরে গেলাম।’
কাজান অ্যারেনাতে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মেসিদের কোচ আরও বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে খুব দুঃখজনক দিন আজ। কারণ আমরা সাধ্যমতো খেলেছি। আমরা জানতাম ফ্রান্স অনেক কঠিন প্রতিপক্ষ। এমন হারে আমি হতাশ, আমি দুঃখিত।’
কোচ আলোচনা-বিতর্কে টুর্নামেন্টজুড়েই এগিয়ে আর্জেন্টিনা! ছিটকে যাওয়ার পর তো সাম্পাওলির পদত্যাগের প্রহর গুনছেন অনেকে। যাকে নিয়ে এত আলোচনা, সেই সাম্পাওলি অবশ্য সময় নিচ্ছেন, ‘আমি এখনই আর্জেন্টিনা দলের কোচ হিসেবে আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমি এ বিষয়ে এখন কথা বলতে প্রস্তুত নই।’
মেসিকে মেসির মতো করে খেলাতে না পারায় অনেক কথা শুনতে হচ্ছে সাম্পাওলি। সে সম্পর্কে বললেন, ‘আমরা সবসময় চেয়েছি মেসি যেন বল পায়। ও যেন স্কোর করতে পারে। সেটা কখনো হয়েছে, কখনো হয়নি।’
‘ও দুর্দান্ত খেলোয়াড়। বিশ্বসেরা লিও। ওর জন্য আমরা ট্যাকটিস, ফর্মেশন সব পরিবর্তন করেছি। আজ আমরা সফল হতে পারিনি।’ -যোগ করে সাম্পাওলি।
দলের তরুণ খেলোয়াড় মেজা, পাভন, দিবালা, সেলসোরদের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারেননি বলে অভিযোগ। কাকে খেলাবেন, কাকে খেলাবেন না সেটা নিয়ে অতি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাম্পাওলি। হারের পর সবাইকে আগলেই রাখছেন, ‘আমি দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে সাধুবাদ জানাই। তারা ভালো খেলেছে। শুধু জয়টাই ধরা দেয়নি।’
অন্যদিকে হাভিয়ের মাশ্চেরানোর জাতীয় দল থেকে অবসর ঘোষণার পর দলের আরেক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার লুকাস বিলিয়াও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন।










