চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘আমি মূলত তাদের জন্যই লেখি যারা সাহিত্যের সিরিয়াস পাঠক’

হাসান জামিল হাসান জামিল
২:৩৫ অপরাহ্ণ ২১, ফেব্রুয়ারি ২০১৯
শিল্প সাহিত্য
A A

প্রায় দশ বছর ধরে গল্প লেখেন মেহেদী ধ্রুব। প্রধানত লেখেন ছোট কাগজে। ২০১৯ সালের বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে তার প্রথম গ্রন্থ, ‘মেঘ ও মানুষের গল্প’। মেহেদীর গল্পে আছে মিথ, ইতিহাস চেতনা, সংখ্যাতাত্ত্বিক বিভিন্ন ইঙ্গিত। আছে নস্টালজিয়া, গ্রাম আর অকস্মাৎ গ্রামের অপরিচিত ঘোরলাগা শব্দ, রূপকথা আর অন্ত্যজ মানুষের মুখে মুখে ফেরা নানান মিথ তাঁর গল্পে আসে-যায় অনায়াসে।
গাজীপুরের শ্রীপুরে জন্ম নেয়া এই লেখক এখন শিক্ষক হিসেবে যুক্ত আছেন নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজে। আগে পড়িয়েছেন বিভিন্ন ক্যাডেট কলেজে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে পড়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তার প্রথম গল্পগ্রন্থ, লেখালেখি, নিজের লেখা নিয়ে চিন্তা, বই প্রকাশ, পরিকল্পনা ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেছেন চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে:

 

কেমন আছেন?
হ্যাঁ, ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

ভালো আছি। আপনার প্রথম বই প্রকাশ হলো। আপনি তো বেশ অনেক দিন ধরে লিখছেন। প্রথম বই বের করার গল্পটা বলেন…
হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমি দশ বছর ধরে গল্প লিখছি। আসলে আমার এই পরিকল্পনাটা ছিলো যে প্রথম আট-নয় বছর শুধু লিটলম্যাগ ও সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে লিখবো। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন দৈনিকে আমার গল্প ছাপা হয়েছে ২০১৮ সালে অর্থাৎ গল্প লেখা শুরু করার নয় বছর পরে, ততোদিনে কিন্তু বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা ও লিটলম্যাগে আমার ১৪/১৫ টা গল্প ছাপা হয়ে গেছে। ২০১৮ সালের দিকে মনে হলো সাহিত্য পত্রিকার পাশাপাশি ওয়েবম্যাগ বা দৈনিকেও কিছু কিছু লিখবো। এভাবে ১৯/২০ টা গল্প প্রকাশিত হয়ে গেলো। পাঠক, লেখক, প্রকাশকরা আমার নাম অনন্ত শুনেছেন বা তাদের মনে হয়েছে এই নামটা চেনা চেনা লাগছে, কোথায় যেন দেখেছি। আমার মনে হতো এই পরিচিতিটা দরকার। আমার বইটা করেছে ঐহিত্য। ঐহিত্যের কর্ণধার নাইম ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় ছিলো না। উনার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন সাব্বির জাদিদ। আমি নাইম ভাইকে পাণ্ডুলিপি পাঠাই ২০১৭ সালের শেষের দিকে, তিনি আমার পান্ডুলিপি পছন্দ করলেন, কিন্তু আমাকে জানালেন, এখন সময় নাই, কাজের চাপ অনেক, মেলার বেশি দেরি নাই, আপনি যদি অপেক্ষা করেন তবে আপনার বই পরের বছর মানে ২০১৯ সালের বইমেলায় আগ্রহ নিয়ে করতে চাই। আমার কাছে উত্তম প্রস্তাব বলে মনে হলো। কারণ, আমারও তাড়া ছিলো না, আমি ভাবলাম আরো ৭/৮ মাস সময় পেলাম, পান্ডুলিপিটা আরেকটু ঠিকঠাক করতে পারবো। কথামতো ২০১৮ সালের জুলাইয়ের মধ্যে পাণ্ডুলিপি ঠিকঠাক করে পাঠালাম, যথাসময়ে বই চলে আসলো মেলায়।

Banglabid

আপনি কেন গল্প লিখেন? মানে লেখার মত একটা আপাত অলাভজনক কাজে আসা কেন?
গল্পলেখার প্রসঙ্গে আসি আগে। ব্যক্তিগত কারণে বলেন আর পারিবারিক বা সামাজিক-রাষ্ট্রীয় কারণ বলেন, আমার মাথার মধ্যে কিছু ব্যাপার কাজ করতো, মনে হতো এই ব্যাপারটা দেখানো দরকার, এইটা বলা দরকার, এই যে দেখানো বা বলার বিষয়টা, এটা আমি কীভাবে বলবো, উন্মুক্ত মঞ্চে দাঁড়ায়ে বললে তো কেউ শুনবে না বা বলা যাবে না। আর আমিও না বলে থাকতে পারছিলাম না, কবিতার আকারে বলতে গেলে তো আবার শ্লোগানধর্মী হয়ে যায়। তখন মনে হলো গল্পের ছলে বলি। অলাভজনক বলতে আপনি হয়তো আর্থিক ব্যাপারটা বোঝাতে চাচ্ছেন।  বলতে পারেন আমার নেশা এইটা, বা না লিখে থাকতে পারি না, অনেকটা অভ্যাস বা নেশার মতো। মানুষ যেমন বলে, ‘ভাই বিড়ি ছাড়া থাকতে পারি না, অনেক চেষ্টা করছি ছাড়তে, পারি না।’ লেখা অনেকটা বিড়ির মতোই, না লিখে থাকা যায় না, আর একবার ধরলে ছাড়াও কঠিন। তাই লাভ লসের চিন্তা আসে না মাথায়।

আপনি বলছিলেন বেশকিছু গল্প বিভিন্ন কাগজ বা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত?
হ্যাঁ। আমার ‘মেঘ ও মানুষের গল্প’ গ্রন্থের প্রত্যেকটা গল্পই ‘চিহ্ন’ ‘উলুখাগড়া’, ‘শালুক’, ‘শব্দঘর’, ‘পরাণকথা’, ‘দৃষ্টি’, ‘বাঢ়বঙ্গ’, ‘জলধি’র মতো লিটলম্যাগ বা সাহিত্য পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। তারপর সেগুলোর কিছু কিছু বিভিন্ন ওয়েব ম্যাগাজিনেও প্রকাশ পেয়েছে।

আপনার গল্পের বই মানুষ কেন পড়বে? কী আছে আপনার বইয়ে? এমন প্রশ্ন যদি কেউ করে?
কেন পড়বে? দেখেন, লেখালেখির ক্ষেত্রে আমার মাথায় একটা চিন্তা আছে। চিন্তাটা হলো, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি নিজের স্বকীয়তা দেখাতে না পারবো বা নিজস্ব স্টাইল সৃষ্টি করতে না পারবো ততক্ষণ পর্যন্ত বই করার পক্ষে নই আমি। আপনি বাংলা সাহিত্যের বড়ো বড়ো সাহিত্যিকদের দেখেন, যাদেরকে আমরা বড়ো হিসেবে জানি বা মানি তাঁরা প্রত্যেকেই কিন্তু নতুন একটা ধারা, নতুন একটা দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। যারা পারেন নাই, তাদের নাম কিন্তু আমরা জানি না। এখন বলতে পারেন, আমি কী নতুন এক ধারা সৃষ্টি করে ফেলেছি? আমি চেষ্টা করছি, ভাষা বা বিষয় উপস্থাপনে নতুন করে বলা যায় কিনা। কতটুকু সফল সেটা পাঠক ও সময়ই বলে দেবে। যেহেতু আমি গল্প নিয়ে পরিশ্রম করছি, ভাষায় স্বকীয়তা আনার চেষ্টা করছি, হাজার বছর ধরে চলে আসা লোকজ গল্পগুলোকে অনেকটা মিথের মতো ব্যবহার করে আধুনিক জীবনের জটিলতার সাথে মেলানোর চেষ্টা করছি, যেহেতু আমি আমার অঞ্চলের গল্পটা বলার চেষ্টা করছি, যেহেতু ৪/৫ টা মিথ বা লোকগল্পকে মূল গল্পে ঢুকিয়ে বর্তমান সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি, ইতিহাসকে বর্তমানের সাথে মিশিয়ে দেবার চেষ্টা করছি সেহেতু পাঠক গল্প পড়ে নতুন স্বাদ পাবেন বলে আমার বিশ্বাস।

Reneta

আচ্ছা, আপনার গল্প, আমি যতোটা পড়েছি, একটা নিউমারিক খেলা আছে। সেটা আপনার বইয়ের প্রথম গল্প ‘ইন্দিরা’তে দেখা যায়, ‘জলকুয়া’, রূপকথার পরের কথা’ নামে একটা গল্পেও আছে। এই প্রবণতা কোথা থেকে এলো বা কেনই এই সংখ্যা নিয়ে নাড়াচাড়া গল্পে?
এই তিনটা গল্পেই শুধু না, আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন, ‘কুড়ানো কথা’ ও ‘গোলকধাঁধা’ গল্পেও নিউমারিক ব্যাপারটা আছে। এটা আমার নিজের, এটা আমি কারো কাছ থেকে পাইনি। আমি আকারে ইঙ্গিতে বলতে পছন্দ করি, বইয়ের ভাষায় যেটাকে প্রতীক বলে, রূপক বলে। তো, সংখ্যাগুলো দিয়ে ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করার চেষ্টা করি। আপনি দেখবেন আমার গল্পে রূপক বলেন আর প্রতীক বলেন বা ইঙ্গিত বলেন, যেভাবেই বলি না কেন সেখানে কিন্তু ইংরেজ আমল থেকে বর্তমান বাংলাদেশের ঘটনাপ্রবাহ খুঁজে পাবেন। তো, গল্পের মধ্যে এত বড়ো ইতিহাস আমি কীভাবে ধরবো, তখন মাথায় এলো সংখ্যার ব্যাপারটা। পাঠক একটু চিন্তা করলেই অতীতে ফিরে যাবেন, ইতিহাসের পাতায় দৃষ্টি রাখবেন।

আপনার গল্পে একটা জিনিস লক্ষ্য করা যায়, সেটা লোক প্রাচীন গল্পের ব্যবহার, মে বি আমরা এগুলোকে এক প্রকার মিথই বলতে পারি। এগুলো ব্যবহারের চিন্তাটা কোথা থেকে বা কেন?
আমি যে অঞ্চলে বড়ো হয়েছি সে অঞ্চলের কিছু নিজস্ব গল্প আছে, ইনফ্যাক্ট প্রত্যেক অঞ্চলেই কিছু গল্প আছে, এসব কিন্তু মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত। আমার স্পষ্ট মনে আছে, দাদা দাদুরা গল্প বলতেন, এলাকার মুরুব্বিরা বলতেন, এখন কিন্তু এগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যার পরে চাঁদ উঠলে, বা গরমে হাসফাস করার সময় শীতল পাটি বিছিয়ে বাড়ির সবাই বসে একসাথে কত ধরনের যে গল্প হতো। কত ভূত, প্রেত, জ্বিন পরি, সাপ, ব্যাঙ, আকাশ পাতাল আসতো সেসব গল্পে বা কিচ্ছায়। অনেক অনেক গল্প শুনতাম, কিচ্ছা শুনতাম। কিন্তু এগুলো এখন নাই, বর্তমান প্রযুক্তি সব কেড়ে নিয়েছে। আমি ভাগ্যবান যে এই পরিবেশটা পেয়েছিলাম। তো, আমি যে গল্পগুলো শুনেছি, আমার অঞ্চলে এখানো যে গল্পগুলো প্রচলিত আছে, বা এখনো তারা যা বিশ্বাস করে তা কিন্তু অন্য জায়গায় এভাবে পাবেন না। তখন আমার মনে হলো, এগুলোর তো রিটেন ফর্ম নাই, এগুলো তো হারায়া যাবে। আমি প্রথমে চিন্তা করি এই লোক প্রাচীন গল্পগুলো লিখে রাখি, কিন্তু পরক্ষণেই মনে হলো, এই রকম লোকগল্প তো অনেক আছে, অনেকে সংগ্রহ করেছে। তখন মাথায় এলো, এই গল্পগুলোকে বর্তমান সময়ের সাথে কীভাবে মেলানো যায়, কীভাবে বর্তমান সময়ের সংকটনের সাথে দেখানো যায়, সময়ের গল্পের সাথে কীভাবে সমান্তরাল করা যায়। তখন চিন্তাটা মাথায় এলো, আর এসব লোকগল্পগুলোকে ইতিহাস ও বর্তমান সময়ের সংকট ও প্রযুক্তি নির্ভর সমাজের সাথে মেলানোর চেষ্টা করলাম।

ভাষার প্রসঙ্গটাও আনা যায়। আপনার গল্পে কিছু শব্দ আছে অপরিচিত, আঞ্চলিক; বেশিরভাগই নামবাচক। কিন্তু আপনি তো প্রমিত ভাষায় লেখেন। সেখানে হঠাৎ এমন শব্দ কেন পিক করেন?
আমি আগেই বলেছি, আমি কিন্তু আমার অঞ্চলের গল্পটা বলতে চাই, শোনাতে চাই। একটা সময় আঞ্চলিক ভাষায় গল্পের পুরোটা লেখার চিন্তা ছিলো, কয়েকটা গল্প আঞ্চলিক ভাষায় লিখেছিলামও। পরে, মনে হলো এতে সবার কাছে পৌঁছানো যাবে না, আমি যে উদ্দেশ্যে লিখছি তা আর পূরণ হবে না। তখন প্রমিত ভাষায় লেখা শুরু করি, আঞ্চলিক ভাষায় লেখা গল্পগুলোকে প্রমিতে রূপ দিই। তারপর মনে হলো, এটাকে শতভাগ প্রমিত রাখবো না, তাই দেখবেন এই প্রমিত খাঁটি প্রমিত না, এখানে আঞ্চলিক টোন আছে। এই চিন্তা থেকে কিছু কিছু শব্দ রেখে দিয়েছি, যেগুলো আমার অঞ্চলের, এটা ইচ্ছাকৃত, আমার মনে হয় না এতে পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে। আমার বরং মনে হয় এই আঞ্চলিক শব্দগুলোই ভিন্ন স্বাদ তৈরি করছে।

গল্প লেখার ক্ষেত্রে কোন্ জিনিসটাকে গুরুত্ব দেন? ফর্ম বা কন্টেন্ট কোন্টা আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
আমি একটা গল্প যখন লিখি তখন কন্টেন্টটা প্রথমে মাথায় আসে। তখন চিন্তা করি এটা নিয়ে লিখবো কি লিখবো না। যখন মনে হয়, হ্যাঁ, এটা নিয়ে লেখা যায় যখন মাথায় আসে ফর্মের কথা। এটা কীভাবে লিখবো, প্রচলিত ফর্মে? নাকি নতুন কিছু করবো? আমার কাছে ফর্ম গুরুত্বপূর্ণ। একটা ভালো কন্টেন্ট ভালো উপস্থাপনার অভাবে ব্যর্থ গল্পে রূপ নিতে পারে, আবার একটা সাদামাটা কন্টেন্টও উপস্থাপনার নতুনত্বে নতুন চমক সৃষ্টি করতে পারে। আসলে কন্টেন্ট তো তেমন নাই, সেই পুরনো ব্যাপারই, এখন সেই পুরোনো ব্যাপারকে কে কীভাবে প্রেজেন্ট করে সেটা আসল ব্যাপার।

‘মেঘ ও মানুষের গল্প’তে আপনার প্রিয় গল্প কোনটা? কেন?
এটা খুব মুশকিলের কথা, প্রত্যেকটা গল্পই প্রিয়, ভালো লাগার, প্রত্যেকটার প্রতি সমান দরদ। তবু আপনি যেহেতু বললেন, এই মুহূর্তে মনে আসছে, ‘কুড়ানো কথা’, ‘জলকুয়া’ ও ‘গোলকধাঁধা’ গল্পের কথা। এই গল্পগুলোতে আমার সময় বেশি লেগেছে। এগুলোর মধ্যে ইতিহাস রাজনীতি আছে প্রচুর। আরেকটা গল্পের কথা বলতে হবে আমাকে। এই গল্পটা অন্যরকম দরদ দিয়ে লেখা, আমার বাবাকে নিয়ে লেখা, গল্পের নাম ‘মেঘ ও মুদ্রা’।

প্রকাশিত হয়ে যাওয়ার মানে তো উন্মোচিত হয়ে যাওয়া। এই যে আপনি বই করলেন, আপনি চান কারা আপনার বইটা পড়ুক? মানে আপনার টার্গেট রিডার কারা?
আমার গল্পগুলো সম্ভবত জনপ্রিয় ধারায় লিখিত না, আমি প্রায়ই শুনি, অনেকে বলেন গল্পগুলো কঠিন লাগে। কিন্তু যারা একটু সিরিয়াস ধারার সাহিত্য পড়েন তারা কিন্তু এ কথা বলেন না। আমি মূলত তাদের জন্যই লেখি যারা সাহিত্যের সিরিয়াস পাঠক। তারপরও যেহেতু গল্পগুলোতে প্রচুর পরিমাণে রূপকথা, উপকথা ও লোকগল্প আছে সেহেতু কেউ কেউ গল্পের টার্গেট পয়েন্টে যেতে না পারলেও গল্প পড়ার রস আস্বাদন থেকে বঞ্চিত হবেন না বলেই আমার বিশ্বাস।

আপনি তো লিখে যেতে চান। তাহলে পরের পরিকল্পনা কী?
কয়েক বছর গল্প লিখে যেতে চাই। তারপর প্রিপারেশন নিয়ে উপন্যাস লিখতে চাই, একটা উপন্যাস লেখা শুরু করেছিলাম, কিন্তু পরবর্তীতে মনে হলো এখনো সময় হয়নি, তাই লেখা স্টপ রেখেছি। কয়েক বছর গল্প লিখে আরো প্রিপারেশন নিয়ে উপন্যাস লিখবো। উপন্যাসটা ঠিকঠাক লিখতে পারলে গল্প লেখা কমিয়ে দেবো। সম্ভব হলে আগামী বছর আরেকটা গল্পের বই করতে চাই

আপনার বইয়ের সাফল্য কামনা করছি। ভালো থাকুন। 
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনিও অনেক ভালো থাকুন।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: উপন্যাসকবিতাগল্পবইমেলা ২০১৯
শেয়ারTweetPin
পূর্ববর্তী

উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি!

পরবর্তী

‘রাত ১টার পর আর রিং বাজলো না’

পরবর্তী
রাত

‘রাত ১টার পর আর রিং বাজলো না’

অগ্নিকাণ্ডের

চকবাজার ট্র্যাজেডি: সহায়তা ও চিকিৎসা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

সর্বশেষ

ক্যানসারের বিরুদ্ধে আবার লড়াই, যা বললেন সামিয়া

আগস্ট ২৪, ২০২৬

মাদকের ছোবলে খুনের নেশা, শেষ কোথায়?

আগস্ট ২৩, ২০২৬

সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগস্ট ২৩, ২০২৬

ময়মনসিংহের মেয়ে রত্না থেকে অভিনেত্রী নূতন

আগস্ট ২৩, ২০২৬
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ

আগস্ট ২৩, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT