কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে নামছে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ অনলাইন বিক্রয় প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ডট কম।তাদের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পার্সেল খুলে গোপনীয় ও স্পর্শকাতর তথ্য বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যামাজন ডট কমে স্বাধীন বিক্রেতারা তাদের পণ্যের ব্যাপারে কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করলে টাকার বিনিময়ে সেগুলো মুছে ফেলতে পারতো। আর এর সাথে জড়িত অ্যামাজনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা। এছাড়া অ্যামাজনের এই ঘুষখোর কর্মকর্তাদের অর্থ দিলে তারা বাতিল করা ত্রুটিপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলো আবার চালু করে দিত বলে অভিযোগ রয়েছে । এজন্য তারা ৮০ থেকে ২০০০ ডলার পর্যন্ত ঘুষ নিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরণের কর্মকাণ্ড মূলত চীনেই বেশি ঘটে।
যদিও অ্যামাজনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এ ধরণের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করবে। এবং জড়িত কাউকে ছাড় দেবে না।
অ্যামাজনের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ নৈতিকতা নিশ্চিত করি। যদি কারো বিরুদ্ধে সেই মানদণ্ড লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে জরিমানা সহ ফৌজদারি ব্যবস্থা নেয়া হবে’।
তারা আরো বলেন, যেসকল ব্যবসায়ী অনৈতিকভাবে মন্তব্য মুছে ফেলেছেন কিংবা অ্যাকাউন্ট আবার চালু করেছেন তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে, একটি দালাল চক্র এসকল অনৈতিক কাজের জন্য চীনা ম্যাসেজিং সাইট ‘উইচ্যাটের’ মাধ্যমে অ্যামাজন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতো।
অনলাইন প্লাটফর্ম অ্যামাজনের প্রায় অর্ধেকের বেশি পণ্যই সরবরাহ করে তৃতীয় কোন পক্ষ। আর তাই প্রতিষ্ঠানটি এখন যে কোন ধরনের পণ্য বিক্রি করতে সক্ষম।







