দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (সাফটা) অর্থাৎ আমদানিতে বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে কলকাতার দুই ছবি। একটি ছবি ‘পিয়া রে’, অন্যটি ‘ফিদা’। বাংলাদেশে ছবি দুটি মুক্তি দিচ্ছে আরাধনা এন্টারপ্রাইজ।
তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান উপদেষ্টা বিজয় খেমকা’র মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে চ্যানেল আই অনলাইনকে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ছবিটি প্রদর্শনের জন্য অনুমতি দিয়েছে। গেল ২১ জুন ‘পিয়া রে’ এবং ‘ফিদা’ এই দুই ছবি বাংলাদেশে প্রদর্শনের অনুমোদন পেয়েছে। এর সঙ্গে ছিল ‘ভাইজান এলো রে’ এবং ‘সুলতান’। ‘ভাইজান এলো রে’ বাংলাদেশে মুক্তি দিচ্ছে এন ইউ আহমেদ ট্রেডার্স এবং ‘সুলতান’ মুক্তি দিচ্ছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।
মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অনুমোদন পত্র পেয়ে এবার সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেলেই মুক্তি দেয়া হবে ‘পিয়া রে’ এবং ‘ফিদা’। জানা যায়, ২১ জুন (বৃহস্পতিবার) তারিখে একসঙ্গে কলকাতার মোট চার ছবি সাফটায় বাংলাদেশে প্রদর্শনের জন্য তথ্য অনুমোদন পেয়েছে। গেল ২৫ জুন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, ৬ জুলাই ‘সুলতান’ বাংলাদেশে দেবেন।
অন্যদিকে, চলতি মাসে ‘ভাইজান এলো রে’ মুক্তি পাবে এমনটাও শোনা যাচ্ছে, শুধু সেন্সরবোর্ড থেকে গ্রীন সিগন্যালের অপেক্ষা। তবে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আরাধনা এন্টারপ্রাইজ ‘পিয়া রে’ ছবিটি ১৩ জুলাই এবং ‘ফিদা’ ২৭ জুলাই মুক্তির জন্য সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করেছে। এই দুই ছবির বিণিময়ে কলকাতায় এদেশ থেকে কোন দুটি ছবি মুক্তি পাবে সেটি জানা যায়নি।
অভিমন্যু মুখার্জী পরিচালিত ‘পিয়া রে’ ছবিতে অভিনয় করেছেন সোহম এবং শ্রাবন্তী। প্রযোজনা করেছে সুরিন্দর ফিল্মস প্রাঃ লিঃ। আরেক ছবি ‘ফিদা’-তে অভিনয় করেছেন ইয়াশ এবং অভিনেত্রী সঞ্জনা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রযোজনা করেছে শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস, পরিচালনা করেছেন পথিকৃৎ বসু।
উল্লেখ্য, এর আগে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে আরাধনা এন্টারপ্রাইজ ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই আমদানি করে বাংলাদেশে মুক্তি দিয়েছিল কলকাতার তারকাবহুল ছবি ‘কেলোর কীর্তি’।








