শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মালদ্বীপের নিউ রেডিয়েন্টের বিপক্ষে ঘরের মাঠে কিছু করে দেখাতো চেয়েছিল ঢাকা আবাহনী। তা তো হয়নি, উল্টো ১-০ গোলে হেরে গেছে সাইফুল বারী টিটুর দল।
দুই অফসাইড ও একবার ফাউলের জেরে মোট তিনটি গোল বাতিল হয় আবাহনীর। সঙ্গে এমেকার লাল কার্ডে শেষ পর্যন্ত দশজনের দল নিয়ে খেলতে হয়েছে তাদের। ১৪ মার্চ বেঙ্গালুরু এফসির বিপক্ষে খেলতে যাবে আকাশী-নীল বাহিনী।
অথচ বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনীর শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জকই।
প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকে দুই দল। প্রতিপক্ষের দুটি শক্ত আক্রমণ ঠেকিয়ে স্বাগতিকদের গোলবার অক্ষত রাখেন আকাশী-নীলদের গোলরক্ষক শহিদুল আলম।
জবাবে নিউ রেডিয়েন্টের গোলবার একাধিকবার কাঁপিয়ে দেন সানডে চিজোবা, এমেকারা। বারবার ডানপ্রান্ত ব্যবহার করে আক্রমণে ওঠেন রুবেল মিয়া-সোহেল রানারা। বিরতির আগমুহূর্তে সানডের হেড অফসাইডের কারণে বাতিল না হলে স্বস্তি নিয়েই দ্বিতীয়ার্ধটা শুরু করতে পারত আবাহনী।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও একবার নিউ রেডিয়েন্টকে কাঁপিয়ে দেন সানডে। রুবেল মিয়ার পাসে এ আফ্রিকান ফরোয়ার্ডের হেড চলে যায় বার ঘেঁষে।
ম্যাচের ৫৮ মিনিটে আবাহনীকে পিছিয়ে দেয় আলি ফাসিরের গোল। ডি-বক্সের বামপ্রান্ত দিয়ে মালদ্বীপ ফরোয়ার্ডের কোনাকুনি শট স্বাগতিক গোলরক্ষক শহিদুলকে ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়।
আবাহনীকে আরও একবার হতাশ করেন রেফারি। ৬০ মিনিটে এমেকার ‘গোল’ বাতিল হয় ওই অফসাইডের কারণে।
ম্যাচের ৬৪ মিনিটে আবাহনীকে বিপদে ফেলেন সানডে চিজোবা। ফাউলের দায়ে এ আফ্রিকান ফরোয়ার্ড সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।
এরপর দশজনের আবাহনীকে চেপে ধরে নিউ রেডিয়েন্ট। ক্লাবটির দুটি ভাল সুযোগ হাতছাড়া না হলে বড় ব্যবধানে হার দেখতে হত সাইফুল বারী টিটুর দলকে।








