আন্তর্জাতিকভাবে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, অন্য দেশগুলোর পার্লামেন্টের সমর্থন পেতে তৎপরতা শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। চলছে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও প্রক্রিয়া শুরুর কাজ।
একাত্তরের সাত মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য মরিয়া তখন কাপুরোষচিত আক্রমণ করেছিলো পাকিস্তানী বাহিনী। পঁচিশ মার্চের সেই রাত তাই কালরাত হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের ইতিহাসে। এবার তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ। তবে ২০১৫ সালে জাতিসংঘ ‘৯ ডিসেম্বর’কে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণা করায় এখন বাংলাদেশ ঘোষিত পঁচিশে মার্চ’র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে ব্যস্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কিছু বন্ধু রাষ্ট্র পাশে থাকবে আশা করে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, রুয়ান্ডার গণহত্যাকে স্বীকৃতি দেওয়া জাতিসংঘসহ অন্য দেশগুলোকে পাশে পাওয়া যাবে। তার জন্য জেনেভায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাউন্সিলে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি দল।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্ট:










