সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশের ব্যাপারে আদালতের নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আবার ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘হৃদয়বিদারক’ এবং ‘মনোবল ভেঙ্গে দেয়ার মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে তারই মনোনীত বিচারক নিল গোরসাচ।
প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশে সাতটি দেশের শরণার্থী ও ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতের অবস্থানকে ‘রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি’র বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প।
বুধবার পুলিশ প্রধানদের উদ্দেশ্যে এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, “আদালতের কার্যকলাপ দেখে মনে হচ্ছে তারাও রাজনৈতিক। তারা যদি পুরো বিষয়টির বিশ্লেষণ করে যেটা সঠিক সেটা করেন, সেটিই আমাদের বিচার পদ্ধতির জন্য ভালো হবে। এর সঙ্গে দেশের নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত যা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
শুধু স্যান ফ্রান্সিসকোর আপিল আদালতের তিন বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে এ বক্তব্য নয়, এর আগে ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার ওপর দেশজুড়ে স্থগিতাদেশ জারি করা সিয়াটলের ফেডারেল বিচারককে ‘তথাকথিত বিচারক’ বলে আখ্যা দেয়ারও সমালোচনা করেন কলোরাডোর ফেডারেল আপিল বিভাগের বিচারক নিল গোরসাচ।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে ট্রাম্পের মনোনীত হয়েও ট্রাম্পের ক্ষোভের শিকার জেমস রবার্টসহ অন্য ফেডারেল বিচারকদের পক্ষেই কথা বললেন তিনি।
ট্রাম্পের অভিযোগকে ‘হৃদয়বিদারক’ এবং ‘মনোবল ভেঙ্গে দেয়ার মতো’ বলে গোরসাচ এক ডেমোক্র্যাট সিনেটরের কাছে মন্তব্য করেন। বিষয়টি গোরসাচের মুখপাত্রও নিশ্চিত করেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে মনোনয়ন পাওয়ার পরও তারই কর্মক্ষেত্রকে ট্রাম্পের এভাবে সন্দেহ, প্রশ্নবিদ্ধ ও অপমানিত করার কারণে এখন বেশ অস্বস্তিতেই আছেন বিচারিক মেজাজ ও তীক্ষ্ণ আইনি মানসিকতার জন্য সুপরিচিত নিল গোরসাচ।










