চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে মোনাকোকে ৫-৩ গোলে হারিয়ে রোমাঞ্চকর এক জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত ছিলেন সার্জিও আগুয়েরো। আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকারের জোড়া গোলের সঙ্গে রাহিম স্টার্লিং, জন স্টোন্স ও লেরয় সানে গোল পেয়েছেন। মোনাকোর দুটি গোল রাদামেল ফ্যালকাওয়ের, অন্যটি কায়লিয়ান ম্বাপ্পে লোট্টিনের।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে স্টার্লিংয়ের গোলে প্রথম এগিয়ে যায় ম্যানসিটি। ম্যাচের ২৬ মিনিটে সানের বাড়ানো বলে জাল খুঁজে নেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। সমতা ফেরাতেও সময় নেয়নি মোনাকো। ৩২ মিনিটে হেড থেকে গোল করে অতিথি শিবিরে স্বস্তি আনেন ফ্যালকাও।
এরপর এগিয়ে যায় অতিথিরাই। ম্যাচের ৪০ মিনিটে ফ্যাবিনহোর বানিয়ে দেওয়া বলে মোনাকোকে এগিয়ে দেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কায়লিয়ান ম্বাপ্পে।
মধ্যবিরতির পর ফিরে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন ফ্যালকাও। পেনাল্টি থেকে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন তিনি। অবশ্য ৫০ মিনিটে আগুয়েরো সমতা ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া করেননি। স্টার্লিংয়ের ক্রসে স্বাগতিকদের সমতা ফেরানো গোলটি এনে দেন আর্জেন্টাইন তারকা।
ম্যাচের ৬১ মিনিটে সিটিজেনদের আবারো পেছনে ফেলেন পেনাল্টির সুযোগ নষ্ট করা ফ্যালকাও। দারুণ এক চিপে অতিথিদের আরেকবার এগিয়ে দেন এই কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার।
তাতে দশ মিনিট পরে আবারো ত্রাতা হয়ে আসেন আগুয়েরো। ডেভিড সিলভার কর্নারে ভলি করে সমতা ফেরান পুরো ম্যাচেই দুর্দান্ত খেলা সিটিজেন তারকা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি মৌসুমে এটি তার অষ্টম গোল।
সমতায় ফিরে আক্রমণের ধার বাড়ায় ম্যানসিটি। মোনাকোও কয়েকটি পাল্টা আক্রমণের সূচনা করে পরিণতি পায়নি। এর মাঝেই ৭৭ মিনিটে অতিথিদের রক্ষণে হানা দেন জন স্টোন্স। দুর্দান্ত এক কোনাকুনি শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। আর ৮২ মিনিটে মোনাকোর জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন জার্মান তারকা সানে। তাতেই বড় জয় নিশ্চিত হয় পেপ গার্দিওলার দলের।
রাতের অন্য ম্যাচে গত মৌসুমের রানার্সআপ স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ৪-২ গোলে হারিয়েছে জার্মানির বেয়ার লেভারকুসেনকে।







