হজ ক্যাম্পে আটকে পড়া সাড়ে ৪ হাজার হজ ইচ্ছুকের সৌদি আরব যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাত ১২টায় ৪শ’ ২০ জন যাত্রী নিয়ে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ফ্লাইট সমন্বয়ের মাধ্যমে দু’একদিনের মধ্যে অন্য সকলকে সৌদি আরব পৌঁছানোর আশা করছে সরকার।
ভিসা পেলেও ফ্লাইট না থাকায় অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিলো অতিরিক্ত কোটার সাড়ে ৪ হাজার বাংলাদেশীর হজে যাওয়া। অতিরিক্ত কোটার জন্য গঠিত কমিটি এজেন্সিগুলোকে ভিসাসহ পাসপোর্ট দিতে পারলেও টিকিট দিতে পারেনি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হাজিরা বিক্ষোভও করে সারাদিন। অবশেষে রাতে হঠাৎই ফ্লাইট জটিলতার জট খুলতে শুরু করে।
হজ ক্যাম্পের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও সৌদি কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ আলোচনার পর জটটি খুলে যায়। রাতে আমাদের একটি ফ্লাইট ছেড়ে গেছে। আরো একটি ফ্লাইট প্রস্তুত রয়েছে।
অনিশ্চয়তা কাটিয়ে শেষ মুহূর্তে হজে যাওয়া নিশ্চিত হওয়ায় খুশি হজ ইচ্ছুকরা।
রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত সৌদি আরবে ৭টি শিডিউল ফ্লাইটে ২৬শ’ ৯৫ জন হজ যাত্রী পাঠানোর অনুমতি পেয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। যুক্ত হয়েছে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রতি দুই ঘন্টা পরপর যদি একটি ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারি তাহলে ১০টি ফ্লাইটেই আমাদের চার হাজার বা তার কিছু বেশি হজযাত্রীকে নিরাপদে সৌদি আরব পৌঁছাতে সক্ষম হবো।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য রুটের ফ্লাইট সমন্বয়ের মাধ্যমে সব যাত্রীকে নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে সৌদি আরবে পাঠানো সম্ভব হবে বলে জানান হজ ক্যাম্পের এ কর্মকর্তা।







