হতাশাগ্রস্ত মানুষ যাদের ব্যবহারে বিপজ্জনক স্বভাব,অস্থিরতা, ক্রোধ প্রকাশ পায় তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশের আত্মহত্যা করার প্রবণতা থাকে। ইউরোপের নিয়োরোসাইকোফারমাকোলোজি (ইসিএনপি) বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত নতুন একটি গবেষনায় দেখা গেছে মানুষের বিভিন্ন ব্যবহার থেকে আত্মহত্যা করার প্রবণতা ফুটে ওঠে যার জরুরি প্রতিকার প্রয়োজন।
গবেষকারা ২ হাজার ৮শ ১১ জন হতাশাগ্রস্ত মানুষর ওপর গবেষনাটি পরিচালনা করেছেন যাদের মধ্যে ৬শ ২৮ জন আগে বিভিন্ন উপায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। গবেষকরা তাদের ব্যবহার ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর বিশেষভাবে নজর রাখেন।
গবেষনায় দেখা গেছে আত্মহত্যার চেষ্টার আগে হতাশাগ্রস্ত মানুষগুলো কিছু সাধারণ আচরণ করে থাকে।
গবেষকদের মতে, আত্মহত্যার চেষ্টার আগে বেশিরভাগ মানুষ বেপোরোয়া হয়ে গাড়ি চালায়, ছোট ছোট বিষয়ে অনেক বেশি প্রতিক্রিয়া করে, ঘরের ভিতর খুব দ্রুত হাঁটাহাটি করে তাদের হাত ঘুরাতে থাকে। গবেষনাটির প্রধান গবেষক ড. ডিনা পপোভিক বলেন, হতাশাগ্রস্ত মানুষদের মধ্যে আমরা এক ধরণের মিশ্র আচারণ লক্ষ করেছি। ইউরোপের মানসিক স্বাস্থ্য দাতা সংস্থার একজন চিকিৎসক পল ফার্মার বলেন, ইউরোপে প্রতি বছর প্রায় ৬ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে। কিন্তু কেনো তারা এই কাজ করে তা বের করা যায়নি।
বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা’র মতে ২০১২ সালে সারা পৃথিবীতে ৮ লাখের বেশি মানুষ আত্মহত্যা করেছিলো।






