সিম নিবন্ধনে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। রাজধানীতে আজ ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ পরীক্ষামূলক কার্যক্রম দেখতে সকল অপারেটরের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যান।
প্রতিমন্ত্রী আজ দুপুর ১২টা থেকে পর্যায়ক্রমে গুলশানে সিটিসেল, রবি, গ্রামীণ ফোন, টেলিটক, বাংলালিংক ও এয়ারটেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যান।
তিনি গ্রাহক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে চালু হবে। তার প্রস্তুতি কতটুকু, সেটা তিনি দেখতে এসেছেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রক্রিয়ায় সিম নিবন্ধন করতে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াও অনুমোদিত কয়েকটি পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহক। সিম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু উপলক্ষে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানিয়েছে বিটিআরসি।
বিটিআরসির জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শুধু সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নির্দিষ্ট কাস্টমার কেয়ারে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স, জন্ম সনদ, পাসপোর্টের মতো অনুমোদিত পরিচয়পত্র দিয়ে সিম নিবন্ধন করা যাবে।
টেলিফোনে সংঘটিত অপরাধ রোধে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া চালু করা হয়। বাংলাদেশ হলো দ্বিতীয়তম দেশ, যেখানে শারীরিক চিহ্ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে সিমের প্রকৃত মালিক বাছাইয়ে সিম নিবন্ধনে আঙুলের ছাপ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সব ফোন কোম্পানী ইতোমধ্যে এই পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।






