বিশ্বকাপের দুই মাস পর হয়ে গেলেও এখনও নারায়ণ স্বামী শ্রীনিবাসনের অপকর্ম ভুলতে পারেননি আইসিসি’র সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রোববার আইপিএল ফাইনাল দেখতে ভারতীয় বোর্ডের সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার আমন্ত্রণে এখন ভারতে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাবেক এ অভিভাবক।
সেখানকার প্রভাবশালী দৈনিক ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র সঙ্গে তার একান্ত সাক্ষাতকারে উঠে এসেছে বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচকে ঘিরে বিতর্ক এবং শেষ পর্যন্ত শ্রীনিবাসনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গ।
মুস্তফা কামালের মূল্যায়ন হলো, আগে বাংলাদেশের মানুষ কাউকে গালাগাল দিতে হলে মীরজাফরের নাম নিতো। এখন কেউ কাউকে গালাগাল দিতে হলে বলে, তুই ব্যাটা শ্রীনি! একদম কথা বলিস না।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচকে ঘিরে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিলো, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইসিসি’র চেয়ারম্যান হিসাবে অপারেশনের দায়িত্ব ছিল ওঁর (শ্রীনি) হাতে। কিন্তু তিনি তার অপব্যবহার করেছেন। উনি মাঠে স্পাইক্যাম রাখেননি। মাহামুদুল্লাহর ক্যাচটা লাইনের বাইরে থেকে ধরা হলো, কিন্তু রিপ্লেই দেখানো হলো না। এ সবই শ্রীনির কীর্তি। এই লোকটা ফেয়ার প্লে-তে বিশ্বাস করেন না।
শ্রীনিবাসনকে ক্রিকেটের বিশ্বায়নের পথে বাধা বলেও উল্লেখ করেন মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ১৪ দলের বিশ্বকাপকে শ্রীনি ১০ দলে নিয়ে এসেছেন। এই লোকটা টাকা ছাড়া কিছু বোঝেন না। তার লক্ষ্য যে কোনো উপায়ে টাকা কামানো।
বিশ্বকাপ বিতর্কের পর ভারত আসছে বাংলাদেশে। এই সফরে ভারতীয় ক্রিকেটাররা জনরোষে পড়তে পারে বলে আশংকা এক শ্রেণীর ভারতীয় মিডিয়ার। তবে সাবেক টাইগার ক্রিকেটের অভিভাবক এ আশংকা উড়িয়ে দিয়েছেন।
টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেও ভুলেননি তিনি। ইতিবাচক অর্থে জগমোহন ডালমিয়াকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের গডফাদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার জন্যই আমরা টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছি। সেই ঋণ বাংলাদেশ ভোলেনি।






