সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় অ্যাটর্নি জেনারেল সহ নতুন আইন কর্মকর্তার সংখ্যা দাড়ালো ২৪০ জন।
আগের সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) এর নিয়োগ বাতিল করে সর্বশেষ আরও ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১৬১ জন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল, ৩ জন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ও ৯ জন নতুন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এখন অ্যাটর্নি জেনারেল সহ সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনায় আইন কর্মকর্তার সংখ্যা দাড়ালো ২৪০ জন। এর মধ্যে দুই ধাপে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন ৭৫ জন।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর রুনা নাহিদ আকতার স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে যে, ১৩ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত ৯ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যতীত পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিলপূর্বক রাষ্ট্রপতি The Bangladesh Law Officers Order, 1972 (P.O.No. 6 of 1972) এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ৬৬ জন আইনজীবীকে বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৬১ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দেশের ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল সিনিয়র আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন পদত্যাগ করেন। সেই সাথে পদত্যাগ করেন ৩ অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল সহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল।
একপর্যায়ে গত ৮ আগস্ট দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান সিনিয়র আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। এছাড়া নিয়োগ পান ৩ অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা, মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক (অনীক আর হক)। আর গত ১৩ আগস্ট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে যে ৯ জন নিয়োগ পান তারা হলেন: আইনুন নাহার সিদ্দিকা, সুলতানা আক্তার, ফয়েজ আহম্মেদ, মো. জহিরুল ইসলাম, রেদওয়ান আহম্মেদ রানজিব, মো. মঞ্জুর আলম, সামিমা সুলতানা, মহসিনা খাতুন ও মো. রফিকুল ইসলাম।







