যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ২৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগের কথা সংস্থাটিকে অবহিত করবেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের কাছে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাবেন।
চিঠিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে আহ্বান জানানো হবে যাতে যুক্তরাজ্যের ইইউ ত্যাগ ও ভবিষ্যত সম্পর্কের ধরণ নির্ধারণের আলোচনা যেন যত দ্রুত সম্ভব শুরু করা হয়
ইইউর মুখপাত্র বলেছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠির জন্য তারা প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করছেন।
২০১৫ সালের ২৩ জুন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যুক্তরাজ্য থাকবে কি না এই প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ৫১.৯ শতাংশ মানুষ ব্রেক্সিট বা ব্রিটেনের ইইউ ‘এক্সিট’ এর পক্ষে ভোট দেন, এর বিপক্ষে ভোট দেন ৪৮.১ শতাংশ মানুষ। ২০০৯ সালে ইইউ এর লিসবন চুক্তির আর্টিকেল ৫০ এর প্রক্রিয়া অনুযায়ী ইইউ ত্যাগের আলোচনা ও ভবিষ্যতের সম্পর্কের ধরণ কেমন হবে সেই বিষয়ক দর কষাকষি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করার আগে শুরু করা যাবে না।
ইইউ এর সদস্য বাকি ২৭ দেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ভবিষ্যত সম্পর্কের দরকষাকষির আলোচনা হবে। ব্রেক্সিটের খসড়া চুক্তি ইউরোপিয়ান কাউন্সিলে তুলে ধরা হবে এবং এটি অনুমোদিত হতে কমপক্ষে ২০টি দেশের সম্মতি লাগবে, যারা ইইউর ৬৫ শতাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। যদি দুই বছরের সময়সীমা অনুযায়ী সবকিছু সমাপ্ত হয় তাহলে ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ এর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে।









