টঙ্গীর তুরাগ তীরে তিন দিনের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় দিনেও মুসল্লিদের জন্য বিভিন্ন ভাষায় বয়ান চলছে। আগামীকাল রোববার আখেরি মোনাজাত। এজন্য ইজতেমা ময়দানে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শুক্রবার দেশ-বিদেশের লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে বিশ্ব ইজতেমার ১ম পর্বের প্রথম দিনে ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার কাকরাইল মসজিদের হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ যোবেয়েরের ইমামতিতে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে জুমার নামাজ শুরু হয়।
ইজতেমার ময়দানে স্থান সংকুলান না হওয়ায় মহাসড়কসহ বিভিন্ন জায়গায় খবরের কাগজ, পলিথিন বিছিয়েও মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। সর্ববৃহৎ ওই জুমার নামাজে মানবতার কল্যাণ কামনা করে দোয়া করা হয়।
এরপর ভারতের মাওলানা মোহাম্মদ জোয়াহের বাদ আছর এবং দিল্লির মাওলানা মোহাম্মদ সাদ বাদ মাগরিব বয়ান করেন। মূল বয়ান বাংলার পাশাপাশি আরবি, উর্দু, ইংরেজি, তামিল, ও মালয় ভাষায় অনুবাদের ব্যবস্থা রাখা হয়।
ঢাকার একাংশ, নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, মাদারীপুর, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, পঞ্চগড়, লক্ষীপুর, সিলেট, নড়াইল, মাগুরা, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি এই ১৬ জেলার মুসল্লিরা তুরাগ তীরে সমবেত হন।
তুরাগ তীর ঘেঁষেই ইজতেমা মাঠে ১২০টি দেশ থেকে আসা প্রায় ২৫ হাজার বিদেশী মুসল্লিও অবস্থান করছেন। নিরাপত্তায় মোতায়েন আছে বিভিন্ন সংস্থার কয়েক হাজার নিরাপত্তা কর্মী।
আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে রোববার বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ সমাপ্ত হবে।





