ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ থেকে মাঠ মাতান খেলোয়াড়রা। আর চীন মাঠ এবং মাঠের বাইরে খেলতে থাকে অন্যরকম এক খেলা। যার পুরটাই টাকা দিয়ে মোড়ানো। ক্রিকেটের এই মৌসুমে নড়েচড়ে বসে চীনা মুঠোফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। দুহাত ভরে টাকা ঢালতে থাকে তারা।
এই বছর রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর প্রধান স্বত্ব কিনে নিয়েছে চীনা মুঠোফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জিওনি। দলটির অধিনায়ক বিরাট কোহলিরও প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারা। আর আগের বছরগুলো থেকেই কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এই চীনা প্রতিষ্ঠান। দুই দলের জার্সিতে জায়গা পাওয়ার জন্য এই বছর ৭৫ কোটি রুপি ব্যয় করছে তারা।
আর ভারত জাতীয় দলের প্রধান স্বত্ব কিনে নিয়েছে আরেক চীনা প্রতিষ্ঠান অপ্পো গ্রুপ। পাঁচ বছরে তারা দলটির পেছনে ঢালবে ১ হাজার ৭৯ কোটি রুপি।
এছাড়া আইপিএলের প্রধান স্বত্বই তো চীনা ভিভো মুঠোফোনের দখলে।
ভারতীয় জনগণ দেবতার পরেই ক্রিকেট এবং বলিউডকে ধ্যানজ্ঞান বলে মনে করে। এই কথা ভালই জানা আছে চীনা ব্যবসায়ীদের। আর তাই ১২০ কোটি জনগণের এই বিশাল বাজারে ঢুকতে ক্রিকেট এবং বলিউড তারকাদের পুঁজি করেছে ব্যবসায়ীরা।
‘ক্রিকেট এবং বলিউড ভারতের অন্যতম দুই ধর্ম। দিওয়ালী পর্যন্ত আইপিএলে চড়ে বাজারে থাকতে পারাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,’ বলছিলেন জিওনির ভারত প্রধান অরবিন্দ ভোহরা।








