চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

আইএস’র কাঁধে চড়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রত্যাবর্তন

শেখ আদনান ফাহাদশেখ আদনান ফাহাদ
১:৫৪ অপরাহ্ণ ০৪, এপ্রিল ২০১৬
মতামত
A A

পেশাগত আগের জীবনে কোনো এক বছর বিলেত যাচ্ছিলাম। দুবাই থেকে লন্ডনগামী এমিরেটস’র ফ্লাইটে উঠে দেখি আমার পাশের সিটে এক ফিরিঙ্গি বসা। দূরের যাত্রাপথে পাশের আসনে ফিরিঙ্গি পেয়ে স্বীয় ইংরেজি দক্ষতা যাচাই করার সুযোগ কোন বাঙ্গালী ছাড়তে চায় বলুন! হিমালয়ের ভারত ঘেঁষা কোলে ইয়োগা শিখতে গিয়েছিলেন তিনি। লন্ডনবাসিনী স্ত্রী আকস্মিক রোগাক্রান্ত হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন।

গগনমুখী রোমাঞ্চ ছড়িয়ে পা গুটিয়ে টেক অফ করল মহাপতঙ্গ। আমার বাংলাদেশি সহযাত্রীদের চোখে-মুখে অসম্ভব খুশির ঝিলিক। জনগণের টাকায় বিনাখরচে বিদেশ সফর বলে কথা! তাও আবার বাঙ্গালীর মনোজগতের নিয়ন্তা লন্ডন নগরীতে! শূন্যে সাঁতার কেটে এগিয়ে চলেছে আমাদের জাহাজ। ভদ্রলোকের নাম আর মনে করতে পারছি না। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এই ফ্লাইটে আছেন শুনে অবাক হলেন। সাধারণ ফ্লাইটে করে তোমাদের সরকার প্রধান বিদেশ সফর করেন! নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়? উনি কেনো বিশেষ বিমান ব্যবহার করেন না?

কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসলো। ভারত, পাকিস্তান ও অন্যান্য দক্ষিণ এশীয় দেশের তুলনায় বাংলাদেশ যে বিভিন্ন মানব উন্নয়ন সুচকে ভালো করছে তা বললাম। এটাও বললাম, তোমরা চলে যাওয়ার পর থেকে “স্বাধীন” পরিবেশে আমরা নানা দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ফিরিঙ্গি মুচকি হেসে প্রশ্ন করল, “Are you really independent?”

আজ এতো বছর পর আমি নিজেকেই জিজ্ঞেস করছি, “প্রকৃত অর্থে আমরা কতোটুকু স্বাধীন?”

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা এনে দিয়ে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা অর্জনের রাজপথে যখন পথচলা শুরু করেছেন, তখন দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে প্রায় সপরিবার হত্যা করা হয়। এর আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর এবং সংগ্রামের পুরো ৯ মাস আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়। ৭৫ এর ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করা হয়। এরপর থেকে নানা ক্ষেত্রে কীর্তিমানদের হত্যা নানা মাত্রায় অব্যাহত আছে। উদাহারণ হিসেবে বলতে পারি, এক সময়ের অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া সাহেব কিংবা রাজনীতিবিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ড।

আবার, বুয়েটের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা পড়াশুনা করেন, তাদের প্রায় বিরাট একটা অংশ প্রতিবছর ইউরোপ-আমেরিকায় চলে যাচ্ছেন স্থায়ীভাবে। স্কিল্ড মাইগ্রেশনের সুযোগ নিচ্ছেন কেউ, কেউ যাচ্ছেন বিবাহ সূত্রে। কেউ সরকারী/বেসরকারী স্কলারশিপ নিয়ে গিয়ে আর দেশে ফিরছেন না। দেশে থাকলে হয়তো হতে পারতেন বড় বিজ্ঞানী, কিন্তু নিউইয়র্কে গিয়ে হয়েছেন ট্যাক্সি ড্রাইভার। সুযোগের অভাবে যারা যেতে পারেন না, তাদের মনও পড়ে থাকে বিদেশে।

Reneta

আর একবার দেশ ছেড়ে যেতে পারলে শুরু হয় মাতৃভূমির বদনাম; দেশের এটা খারাপ, ওটা খারাপ। তার উপর আছে দেশ থেকে অর্থ পাচার। এদেশে রাজনীতি করেন, ব্যবসা করেন; কিন্তু ছেলে- মেয়ে বড় করেন বিদেশে। কেউ অর্থ-সম্পদ পাচার করেন পাশের দেশ ভারতে, কেউ চালান করেন মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর-থাইল্যান্ড কিংবা যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে। এরকম পাচারকারী গ্রামে যেমন আছে, তেমন আছে নগরেও। তাছাড়া আমাদের দুর্নীতি-প্রেম তো আছেই।

সরকারী চাকুরীজীবীদের অনেকের মাসের বেতন আর মাসের খরচের হিসাব মেলাতে গেলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। মাতৃত্বকালীন ছুটির প্রজ্ঞাপন বের করে আনতে পর্যন্ত কর্মচারীদের ঘুষ দিতে হয়! ছাত্রনেতাদের চলাফেরা, পোশাক আশাক আর গাড়ির বাহার দেখলে বিস্মিত হতে হয়। ছিঁচকে ঘুষ, চুরির পাশাপাশি বড় বড় চুরির ঘটনা এতো বেড়েছে যে ‘পুকুর চুরি’ না বলে ‘সাগর চুরি’ বললে বোধহয় সংগত হবে। আগে দেখতাম শেয়ার বাজার ফতুর করে দেওয়া হয়েছে, ইদানিং সরকারী ব্যাংকগুলোকে লুট করা হচ্ছে। চুরির আকার এতো বড় যে, ৩/৪ হাজার কোটি টাকাকে এদেশের মন্ত্রী-মিনিস্টাররা তেমন কোনো বড় অঙ্ক হিসেবেই বলতে চান না। দুর্নীতি সূচকে আমাদের অর্জন নেহায়েত কম নয়। বার বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া কিংবা বেস্ট থ্রির ভেতরে থাকা সহজ বিষয় নয়! ধর্মের পরিচয়ে এদেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। ভাবি, আমাদের মনে যদি সত্যিকারের ইসলাম থেকে থাকে, তাহলে দেশে এত ঘুষ, সুদ, চুরি, অর্থ পাচার, ধর্ষণসহ নানা সামাজিক-অর্থনৈতিক অনাচার কীভাবে হয়?

দেশী-বিদেশী লুটেরাদের অবিরাম লুটতরাজের পরও বাংলাদেশ ভালো করছে উন্নয়নের কয়েকটি সূচকে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ছে বলে মনে হয়, এমন কিছু ঘটনাও ঘটেছে। যেমন মিয়ানমার ও ভারতকে আইনি লড়াইয়ে পরাজিত করে বঙ্গোপসাগরে বিশাল অঞ্চল বাংলাদেশ তার দখলে নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ১০,০০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। ফুটবলের খেলায় বাংলাদেশ প্রায় ভুটানের মতো দলের রূপ নিলেও ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের পরাশক্তি হওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বড় হাতিয়ার বিশ্বব্যাংককে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রমত্তা পদ্মার উপর সেতু নির্মাণের কাজও শুরু করে দিয়েছে সরকার। সুশাসনের যথেষ্ট অভাব থাকলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেখে ভালো লাগে। ঢাকায় যানজট নিরসনে সরকার বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কুমিল্লার দাউদকান্দির মানুষ এখন ঢাকার মিরপুর/মোহাম্মদপুরে এসে প্রতিদিন অফিস করে ঘরে ফিরে  যান। বকশীবাজার গেলেই মনে হয় কাঁচপুর চলে এসেছি। মিরপুর থেকে উত্তরা যেতে সময় লাগে বড়জোর ২০ মিনিট। সেদিন উদ্বোধন হল মগবাজার ফ্লাইওভারের একাংশ। মেট্রোরেল চালু হলে প্রাণের শহর ঢাকার চেহারাটাই পাল্টে যাবে। পড়ালেখার মান যাই হোক, বহু বছর ধরে শিশুদের কাছে পাঠ্যবই পৌছে যাচ্ছে জানুয়ারির পয়লা দিনেই। সামরিক-বেসামরিক বাহিনীগুলোর চাকচিক্য বেড়েছে, সরকারী-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বেড়েছে দ্বিগুণ। আগে যেখানে ভুঁইফোঁড় কোনো রাজনৈতিক দল হরতাল ডাকলে ঢাকার ভীতু গাড়ি মালিকরা রাস্তায় বের হতেন না; এখন বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালে ঢাকার মানুষ আর গাড়ির ভীড়ে হারিয়ে যাওয়া নিয়মিত ঘটনা।

১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে যে হায়েনারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছিল, তাদের বেশ কয়েকজনকেই ইতোমধ্যে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়েছেন আদালত। বাকি অনেকের বিচার প্রক্রিয়াও চলছে।

ফলে দুর্নীতি, অপশাসন, হত্যা, ধর্ষণের ভয়ানক অস্তিত্ব থাকলেও দেশের বেশীরভাগ মানুষ তুলনামূলক স্থিতিশীল বর্তমান আর সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্নে বর্তমান সরকারের উপর আস্থা রেখেছেন। এই যখন পরিস্থিতি, তখন সরকারের একটা সিদ্ধান্তে সচেতন ও  দেশপ্রেমিক মহলে বেশ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আমাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ব্রিটিশ একটি কোম্পানিকে! আমার দেশের পুলিশ, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা যখন নানা দেশে শান্তি রক্ষার কাজ করে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ রেখে চলেছেন তখন দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব কিনা দেয়া হয়েছে একটি বিদেশী কোম্পানিকে! এ যেনো ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিসেনাদের প্রতি চরম অপমান। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে এসেও আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো একটা বিমানবন্দর পাহারা দেয়া কিংবা কার্গো ফ্লাইট দেখাশুনা করার সক্ষমতা অর্জন করেননি! পৃথিবীতে কী এমন প্রযুক্তি, অস্ত্র এবং সিস্টেম আছে যা আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর জানা নেই বা প্রশিক্ষণ নিলে ব্যবহার করতে পারবে না?

বিমানবন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার আগে যেভাবে গণমাধ্যমের মাধ্যেম আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে তাও বেশ আগ্রহ উদ্দীপক। কয়েকজন বিদেশী নাগরিককে হত্যা করা হলো। ঢাকা, রংপুরে বিদেশী হত্যা করে তথাকথিত আইএস স্বীকার-বার্তা পাঠালো সুদূর ওয়াশিংটনের ইসরায়েলী গোয়েন্দা নিয়ন্ত্রিত সাইট ইন্টেলিজেন্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানে। সাইট ইন্টেলিজেন্স একে খবর বানিয়ে প্রচার করলো এপি, এফপি, রয়টার্স কিংবা বিবিসি’র মাধ্যমে। আমার দেশের মিডিয়া বুঝে হোক, না বুঝে হোক সেই খবর আগ/পিছ না ভেবে প্রচার করল মহাউদ্যমে। আমাদের সংবাদ মাধ্যম একবার খোঁজ নিয়েও দেখলো না সাইট ইন্টেলিজেন্স কাদের প্রতিষ্ঠান? মার্ডার হয় এখানে, স্বীকার-বার্তা আসে আমেরিকা থেকে!

এসব ঘটনা ও নিউজের জের ধরে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কার্গো ফ্লাইট গ্রহণ করবে না বলে জানায়। সরকার নিজেদের ডিফেন্ড না করে আত্মসমর্পণ করল ব্রিটিশ বেনিয়াদের কাছে। দেশের প্রধান বিমানবন্দর বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার আগে সরকার যে তাড়াহুড়া দেখিয়েছে তাতে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারা যায় না। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী  শুধু একবার আমাদের পররাষ্ট্র সচিবকে ফোন দিয়েছেন। আর তাতেই মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিমানবন্দরে ক্যাম্প অফিস করে ফেলেছেন। পশ্চিমারা বাংলাদেশের জন্য কতো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে সে বিষয়ে আমাদের সচিব, মন্ত্রীদের যথেষ্ট জ্ঞান আছে বলেই বিশ্বাস করি। ইংল্যান্ড-আমেরিকার সাথে বন্ধুত্ব বা শত্রুতা যে সমপরিমাণ বিপজ্জনক তা কি আমাদের পররাষ্ট্র বিষয়ক নীতি নির্ধারকরা অনুধাবন করেন? জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র কী ভূমিকা পালন করেছিলো, সেটা কি সরকার বাহাদুর ভুলে গেছেন?

এখন আর আল-কায়েদার নাম শোনা যায় না। কারণ পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো আল-কায়েদা ভিত্তিক সংবাদ আর দেয় না। এখন নতুন ধারণা আইএস’র প্রচার ও প্রসার চলছে। আল-কায়েদার আইডিয়া ব্যবহার করে আফগানিস্তান এবং ইরাকের পাইপলাইনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়া হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয়া যাচ্ছে না সিরিয়া এবং ইরানের জন্য। তাছাড়া সিরিয়া এবং ইরান উভয় রাষ্ট্রই জোর করে বানানো রাষ্ট্র(?) ইসরায়েল’র জন্য ‘হুমকি’। বর্ধিত ইসরায়েল’র অমানবিক স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্রোহী রাষ্ট্রনেতা ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে নিশ্চিহ্ন করতে একটা যুৎসই আইডিয়া হিসেবে কাজ করছে ‘আইএস’ এর ধারণা। সিরিয়া সংকটের দিকেই মনোনিবেশ করুন, আইএস’র ধারণা আমাদের সামনে পরিস্কারর হয়ে যাবে। রাশিয়া যখন বাশার আল আসাদের পক্ষে ‘আইএস’ মেরেছে বলে দাবি করে, তখন পশ্চিমা মিডিয়া নিউজ প্রচার করে ‘রাশিয়ার বিমান হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত’। সিরিয়ার সেনাবাহিনী যখন ‘আইএস’ মারে, তখনো একই শব্দ আর ভাষার ব্যবহার থাকে। আবার ন্যাটো বাহিনী যখন হামলা করে, তখন প্রচার করা হয় ‘আইএস জঙ্গি নিহত’। সিরিয়ার সেনাসদস্যরা যখন নিহত হয়, তখন হামলাকারীদের পরিচয় থাকে “rebel” বা বিদ্রোহী, ‘আইএস’ সেখানে অনুপস্থিত।

আমাদের সরকার একদিকে যখন জোর গলায় বলে, দেশে আইএস নেই, তখন ঠিকই বলেন। কিন্তু ‘আইএস’-কেন্দ্রিক যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অপপ্রচারের কাছে আত্মসমর্পণ করে যখন স্পর্শকাতর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেগানা বিদেশীদের কাছে লিজ দেন, তখন মনে প্রশ্ন জাগে- কী ভেবে বা কী কারণে সরকার এমন করলো? দিন দিন আমাদের মেরুদণ্ড শক্ত হওয়ার কথা। তা আর হচ্ছে কই? ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিলো কি ভারতে গিয়ে অন্য দেশের ভিসা আনার জন্য? কয়েকদিন আগে শুনলাম ব্রিটিশ ভিসা আনতে নাকি ভারত যাওয়া লাগবে! কেন আমরা কি ভারতের অঙ্গরাজ্য? এমনিতেই ভারতের ভিসার অনলাইন কুপন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ৩/৪ হাজার টাকা ঘুষ না দিয়ে পান না। বন্ধুতা আর দাসত্ব এক জিনিস নয়, সেটা যে কোনো ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষেরই বোঝার কথা।

‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়,’ এটি হলো আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। এ বন্ধুত্ব যে দাসত্ব নয়, সেটা জাতির জনক ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ভারতে ফেরত পাঠিয়েই আমাদের শেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। যেদিন শুনলাম, বিদেশী কোম্পানির কাছে আমার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ভার তুলে দেয়া হচ্ছে, সেদিন থেকে কেবল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথা মনে হচ্ছে। ব্যবসার নামে এসে যারা আমাদেরই অনেকের বিশ্বাসঘাতকতার সুযোগে বাংলার স্বাধীন নবাব তথা পুরো ভারতবর্ষের দখল নিয়ে ফেলেছিলো, তাদেরই উত্তরসূরী আরেকটা কোম্পানির কাছে আমার দেশের বিমান বন্দর তুলে দেয়া হলো। সেসময় সরল ভারতীয় শাসক ভবিষ্যৎ না বুঝে সমৃদ্ধির আতিশয্যে কুঠি ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। আর আমাদের সরকার দিচ্ছেন বিমানবন্দর। তখন মীরজাফর ছিলেন একজন। এখনকার দুর্নীতিপরায়ণ সমাজে মীরজাফর অসংখ্য।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: আইএসবিমানবন্দর-নিরাপত্তা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ইতালির ফুটবল পথে ফেরাতে মালদিনির পছন্দের তালিকায় গার্দিওলা

জুলাই ১৩, ২০২৬

লাল-হলুদ কার্ডের কাহিনীতে জড়িয়ে আন্তোনিও রাতিন, ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বৈরিতার শুরু যেখানে

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে ঢাবির টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের সহযোগিতা চুক্তি

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংস্কৃতি ও জনপদের এক অনন্য দলিল ‘চ্যানেল আই অনলাইন’

জুলাই ১৩, ২০২৬

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনীতি ও ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে

জুলাই ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT