ভারতের মাটিতে ভারতকে টেস্টে হারানো পৃথিবীর কঠিন কাজের একটি। আর বাংলাদেশের জন্য তো আরও কঠিন। বৃষ্টির সহায়তা ছাড়া ড্র করাও যে একরকম অসম্ভব! পরিসংখ্যানে তাকালেই স্পষ্ট দুই দলের ব্যবধান কতটা। দ্বিতীয় দিন শেষে কানপুর টেস্টে সম্ভাব্য ফলাফল ড্র ধরে নেয়া যায়। আর সেটি হলে বাংলাদেশই লাভবান হবে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কিছু পয়েন্ট যোগ হবে।
তবে খেলোয়াড়রা চান মাঠে লড়েই ভালো ফল করতে। দ্বিতীয় দিনের পুরোটা বৃষ্টির পেটে চলে যাওয়ায় বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা হতাশ, ‘খেলোয়াড় হিসেবে তো অবশ্যই একটা অস্বস্তিকর ব্যাপার। অনেক কষ্ট করে খেলাটা শুরু হলো, মাঝে কিছুক্ষণ খেলাও হল এরপর আবার বন্ধ হয়ে গেল। আজকে সারা দিন খেলা হল না, প্লেয়ার হিসেবে অবশ্যই এটা অস্বস্তিকর। আসলে কিছু করার নেই, আমাদের নিয়ন্ত্রণেও এটি নেই। তবে খেলা হলে ভালো লাগতো।’
প্রথম দিন ৩৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান তোলে বাংলাদেশ। শান্ত মনে করছেন একটি উইকেট বেশি পড়েছে দলের।
‘আমার মনে হয় একটা উইকেট আমাদের বেশি পড়েছে। আমরা ব্যাটিংয়ে যে অবস্থায় আছি। শুরুটাও ভালো হয়েছিল। তবে আমি বলব না যে খুব খারাপ অবস্থানে আছি যে উইকেটে আমরা খেলছি। আমাদের অনেকগুলা ব্যাটার আছে এখান থেকে যদি দুইটা বড় জুটি হয় ভালো অবস্থানেই যাবো। এই মুহূর্তে যদি খেলার অবস্থান দেখি আমার মনে হয় মাঝামাঝি একটা অবস্থানে আছি।’
টেস্ট আঙিনায় পা রাখার ২৪ বছরে ভারতের বিপক্ষে দুইবার ড্র করেছে বাংলাদেশ। অবশ্য তা বৃষ্টির কল্যাণে। ২০০৭ সালে চট্টগ্রামে ও ২০১৫ সালে ফতুল্লায় ফল হয়নি। বাকি ১২ টেস্টে একতরফা ছড়ি ঘুরিয়েছে ভারত। এবার কানপুরের চিত্র অনেকটা চট্টগ্রাম ও ফতুল্লার মতোই। দুই দিনে খেলা হয়েছে এক সেশনের খানিকটা বেশি। ভারতের বিপক্ষে তৃতীয়বার টেস্ট ড্র করার হাতছানি টাইগারদের সামনে।







