ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নেমেছেন ক্রিস্টোফার ও’কনেল। ২৭ বছর বয়সী অজি ছেলেদের এককে র্যাঙ্কিংয়ের ১৭৫তম ডিয়েগো স্কোয়ার্টজম্যানকে হারিয়ে দিয়েছেন চমক।
বৃহস্পতিবার ১৩তম বাছাই আর্জেন্টিনার ডিয়েগো স্কোয়ার্টজম্যানকে হারিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠে গেছেন ও’কনেল।
প্রথম সেটেই বিশেষ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে স্কোয়ার্টজম্যানকে টাইব্রেকে ৭-৬ (৮-৬) ব্যবধানে হারিয়ে দেন ও’কনেল। পরের সেটে ৬-৪ ব্যবধানে জিতে রাখেন সামর্থ্যের প্রমাণ।
স্কোয়ার্টজম্যানকে তৃতীয় সেটেও হারিয়ে দেন ও’কনেল, ৬-৪ ব্যবধানে।
ম্যাচ পকেটে নেয়ার পর ধারাভাষ্যকার টম রেহড বলেছেন, এটা কত বড় ব্যাপার হতে পারে! টাইটানিকের মতো এক সংগ্রাম ছিল এবং এই অজি খেলোয়াড় সেটি করে দেখিয়েছেন। এক ঘণ্টা ২৪ মিনিটের প্রথম সেট একটা ম্যারাথন ছিল। অথচ অ্যাশলেইগ বার্টি প্রথম দুটি ম্যাচে ২২ মিনিটেই প্রথম সেট শেষ করেছেন।
অভাবনীয় জয়ের পর উচ্ছ্বাসিত ও’কনেল বলেছেন, ‘এমন পরিবেশ অবিশ্বাস্য। আমি সত্যিই এমনটা পেরেছি। কিছুই বর্ণনা করতে পারছি না।’
‘ডিসেম্বরের সিডনিতে প্রচণ্ড গরমের মাঝে কঠোর পরিশ্রম করেছি। তাপমাত্রা দেখে সত্যিই খুশি হয়েছিলাম। এমন অধিক তাপমাত্রায় শক্ত হতে পেরেছিলাম, প্রথম সেটেও শক্ত হয়ে ঝুলেছিলাম। এটা একটা যুদ্ধ ছিল। এই প্রক্রিয়ার মাঝে শক্তি সঞ্চয় করেছি।’
মেয়েদের এককে ঘটেছে অঘটন। র্যাঙ্কিংয়ে ৫৬ ধাপ পিছিয়ে থাকা ফ্রেঞ্চ এলিজ কর্নেতের কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছেন দুবারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী ও আসরের তৃতীয় বাছাই গ্যারবিন মুগরুজা।
রড লেভার অ্যারেনায় ১ ঘণ্টা ২৭ মিনিটের লড়াইয়ে ৬-৩ ও ৬-৩ সেটে হেরেছেন স্প্যানিশকন্যা। বাদ পড়ে করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রস্তুতির ঘাটতিকে দায়ী করেছেন মুগরুজা।
চমক আরও আছে। মেয়েদের এককে সপ্তম বাছাই এস্তোনিয়ার আনেত্তে কন্টাভেইতকে ৬-২ ও ৬-৪ সেটে হারিয়ে তৃতীয় রাউন্ডের টিকেট কেটেছেন ক্লারা তাউসন। ১৯ বছর বয়সী ডেনিশকন্যার র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ৩৯তম।
অঘটনে ভরা দিনে ছয়বার ডাবল ফল্ট করার পরও পরের রাউন্ডে পা দিয়েছেন গত বছর উইম্বলডন ও ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালিস্ট বেলারুশের অ্যারিনা সাবালেঙ্কা। চীনের ওয়াং জিনউর বিপক্ষে প্রথম সেটে ৬-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হওয়ার পর দারুণ প্রত্যাবর্তনে বাকি দুই সেটে ৬-৪ ও ৬-২ ব্যবধানে জয় তোলেন।







