নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয় ছাড়া বলার মতো রান করতে পারলেন না কেউ। তাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সুপার এইটের লড়াইয়ে বড় সংগ্রহ পায়নি বাংলাদেশ। অ্যান্টিগায় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান তুলেছে টিম টাইগার্স। শান্ত ৩৬ বলে ৪১, হৃদয় ২৮ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন। শেষদিকে হ্যাটট্রিক করেন অজি পেসার প্যাট কামিন্স।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রানের খাতা খুলতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। পর পর দুই ম্যাচে শুণ্য রানের ইনিংস বাংলাদেশ ওপেনারের। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দারুণ ব্যাটিং করে শুরুর চাপ সামলে নেন। তার লড়াকু ইনিংসটি থামল ৪১ রানে। ৩৬ বল মোকাবেলা করে মারেন ৫টি চার ও ১টি ছয়।
প্রথম ওভারে মিচেল স্টার্কের তৃতীয় বল তানজিদের ব্যাটের নিচের অংশে লেগে আঘাত করে স্টাম্পে। বাংলাদেশ প্রথম ওভারে উইকেট হারালেও শান্তকে দেখা যায় নেমেই দারুণ ব্যাটিং করতে। শুরুতে লিটন দাসের জড়তা থাকলেও পরে তা কাটিয়ে উঠেছিলেন দুই বাউন্ডারি মেরে।
দশ নম্বর বল মোকাবেলায় রানের খাতা খোলা বাংলাদেশ ওপেনার ২৫ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন। অ্যাডাম জাম্পার গুগলির মুখে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। রিশাদ হোসেনকে প্রমোশন দিয়ে নামানো হয় চার নম্বরে। অফস্পিনার গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে শর্ট থার্ডম্যানে। ৪ বলে ২ রান করে ফেরেন রিশাদ।
সাকিব আল হাসান নেমে টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ১০ বলে ৮ রানে সাজঘরে ফেরেন। ৩ বলে ২ রান করে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ। কামিন্স পরের বলে শুণ্য রানে ফেরান শেখ মেহেদীকে। পরের ওভারের প্রথম বলে তাওহিদকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন অস্ট্রেলিয়া পেসার।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি হ্যাটট্রিকের সপ্তম ঘটনা। অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেলেন কামিন্স। প্রথমটি করেছিলেন সাবেক পেসার ব্রেট লি। কাকতালীয়ভাবে সেটি বাংলাদেশের বিপক্ষেই।
তাওহিদ আউট হওয়ার আগে ঝড় তোলেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামের ২২ গজে। তার ব্যাটেই দেড়শর কাছে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। শেষ তাসকিন আহমেদ ৭ বলে ১৩ রান করে অবদান রাখেন।







