পাওয়ার প্লে’তে খুব বেশি রান না এলেও চাপ ছিল না। সতর্কতার সঙ্গে ব্যাটিং করতে থাকা লিটন দাস (৯) আগ্রাসী হতে গেলেন ৬ ওভার শেষ হতেই। কাভারে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে বিপদ বাড়ালেন। সাউথ আফ্রিকার দেয়া ১১৪ রানের লক্ষ্যে ৭ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
দুটি বাউন্ডারিতে ৯ বলে ৯ রান করে কাগিজো রাবাদার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বাংলাদেশ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ওপেনিংয়ে তানজিদের সঙ্গী হন। তিনে নেমে লিটন দাসও সতর্কতার সঙ্গে ব্যাটিং করছিলেন। লক্ষ্যটা খুব বড় না হওয়ায় তাড়াহুড়ো ছিল না টপঅর্ডার ব্যাটারদের। কেশভ মহারাজের ভেতরে ঢুকতে থাকা বলে জোরাজুরি করে ড্রাইভ করতে গিয়ে ধরা পড়েন।
বাংলাদেশের বোলিং হয়েছে অসাধারণ। এখন ভালো ব্যাটিংই পারে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবার টি-টুয়েন্টিতে জয়ের স্বাদ এনে দিতে। ৮ বার হারের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রোটিয়াদের হারানোর সুযোগ এসেছে। নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষকে ১১১ রানে আটকে দিয়েছে টিম টাইগার্স। এটিই বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রোটিয়াদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ।
২৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল প্রোটিয়া দল। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ক্ল্যাসেন ও মিলার যোগ করেন ৭৯ রান। জুটি ভাঙতে পারত লিটন দাস মিলারের ক্যাচ গ্লাভসে জমা করতে পারলে। ১১তম ওভারে আসা মাহমুদউল্লাহর প্রথম ডেলিভারিতে এজ হয়, ক্যাচ যায় বাংলাদেশ কিপারের হাতে। তালুবন্দি করতে পারেননি লিটন। সাউথ আফ্রিকার সংগ্রহ তখন ৫৭ রান।








