টানা হারের হতাশা উবে গেছে অবিস্মরণীয় এক জয়ে। ক্রিকেটাররা ফিরে পেয়েছেন হারানো আত্মবিশ্বাস। যেটিকে পুঁজি করে আগামীর পথচলা মসৃণ করা সম্ভব বলে মনে করেন টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফীস।
চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপে নাফীস বলেন, ‘সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা অর্জন করেছি সেটা হচ্ছে আত্মবিশ্বাস। আমরা এত বড় একটা স্কোর তাড়া করে জিতেছি যেটা রেকর্ড। এ জয়ে বাংলাদেশের সকল খেলোয়াড় অনেক আত্মবিশ্বাসী হবে। আমি বিশ্বাস রেখেছিলাম…শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খারাপ সময় গিয়েছে সত্য কিন্তু কক্ষপথে ফিরতে একটা বা দুইটা জয় সহযোগিতা করবে। গতকালের জয়ে আমরা সেটি পেয়ে গেছি। এই আত্মবিশ্বাস নিয়ে যদি খেলতে পারি, তাহলে আমরা আরও বেশি ম্যাচ জিতব। এটা ধরে রাখতে হবে।’
টি-টুয়েন্টিতে দুইশ রান করার রেকর্ড ছিল না বাংলাদেশের। শনিবার প্রেমাদাসায় সেই দলই কিনা স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতেছে ২১৪ রান তাড়া করে। রয়ে গেছে দুটি বলও। অথচ আগে কখনোই ১৬৪ রানের বেশি তাড়া করে জেতেনি টাইগাররা। মুশফিকরা কী একটু বেশিই ভাল খেলে ফেলেছে? নাফীস তা মনে করেন না। তার মতে, এটাই বাংলাদেশ দলের সামর্থ্য।
‘পুরো ম্যাচটাই দেখেছি, খেলা দেখে খুব ভাল মনে হয়েছে। মুশফিকের কথা তো না বললেই না। অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। বাংলাদেশের এটাই অ্যাবিলিটি। আমাদের আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি ছিল, আশা করি জয়ের পর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে।’

গত মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুর ও সিলেটে বড় ব্যবধানে হারের পর হতাশায় মুষড়ে পড়ে বাংলাদেশ। নিধাস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হারের পর খেলোয়াড়দের সামর্থ্য নিয়েও ওঠে প্রশ্ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বয়ে যায় নিন্দার ঝড়। এমনকি শনিবার শ্রীলঙ্কা ২১৪ রান করার পর ফেসবুকে অনেকেই বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ে সমালোচনায় মাতেন। সমর্থকদের এমন মানসিকতা থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নাফীস। সেই সঙ্গে খেলোয়াড়দেরও এসব থেকে দূরে থাকার পরামর্শ তার।
‘অতিরিক্ত ট্রল হয়ে গেলে খেলোয়াড়দের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব ফেলা স্বাভাবিক। আমরা ক্রিকেটাররাও তো মানুষ। আমাদের মাথায় এসব কাজ করে। সে জন্য খেলোয়াড়দের বলব, যতটুকু সম্ভব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা উচিত।’








